দেশ বিভাগে ফিরে যান

দেশে কমছে সোনার চাহিদা, বলছে ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল

February 2, 2023 | 2 min read

ছবি: dtnext

দেশে ক্রমাগত কমছে সোনার চাহিদা, ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল এমনই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। গোল্ড কাউন্সিলের রিপোর্ট বলছে, ২০২১ সালে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরে যে পরিমাণ সোনা বিক্রি হয়েছিল, ওই একই সময়কালে ২০২২ সালের শেষ তিনমাসে সোনার বিক্রি ২০ শতাংশ বিক্রি হ্রাস পেয়েছে। টাকার হিসেব করলে পরিসংখ্যান বলছে, প্রায় ২৩ শতাংশ বিক্রি কমেছে। শেষ তিনমাসের খারাপ বিক্রির কারণে সোনার বাজারের প্রভাব পড়েছে।

গোটা বছরের বিক্রি ধাক্কা খেয়েছে।হিসেব বলছে, ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে গোটা দেশে সোনার বিক্রি কমেছে প্রায় ৩ শতাংশ। মূলত উৎসবের মরশুমে গয়না, সোনার বাট ও বিস্কুট বিক্রির সবচেয়ে বেশি হয়। বিক্রেতারা ওই সময়টাকেই পাখির চোখ করেন। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়তেই বিক্রি সর্বাধিক হয়। ধনতেরাসের মতো পার্বণে বিক্রি আরও বাড়ে। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের রিপোর্ট বলছে, দেশে বিগত বছর অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সোনার মোট চাহিদা ছিল ২৭৬ টন। কিন্তু তার আগের বছর অর্থাৎ ২০২১ সালে ওই একই সময়ে ৩৪৪ টন সোনা বিক্রি হয়েছিল দেশে। সোনা বিক্রির বেশিরভাগটাই হয় গয়না হিসেবে। ওই তিনমাসে এদেশে গয়না বিক্রি হয়েছে প্রায় ২২০ টন। ২০২১ সালে ওই একই সময়ে পরিমাণ ছিল ২৬৫ টন। ২০২১ সালে জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে সোনা বিক্রি হয়েছিল মোট ৭৯৭ টন। ২০২২ সালে তা কমে ৭৭৪ টনে নেমে এসেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লাগামছাড়া দামের কারণেই সোনা কেনা থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন আমজনতা। বিগত কয়েকমাস ধরেই সোনার দাম উর্ধ্বমুখী। উৎসবের মরশুমেও সোনার দাম বেশ চড়ার দিকেই ছিল। পাশাপাশি রয়েছে মূল্যবৃদ্ধির চাপ। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্য নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায়, সে ধাক্কা সামলানো সাধারণ মানুষের কাছে দায় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। নতুন গয়না কেনার উৎসাহে ভাটা ছিল। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের তথ্য জানাচ্ছে, পুরনো গয়না ভেঙে নতুন গয়না তৈরির প্রবণতা প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই কারণে সোনার চাহিদা আরও কমেছে।

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

#India, #demand, #world gold council, #golds

আরো দেখুন