রাজ্য বিভাগে ফিরে যান

অবাধে পাচার চালাতে মদত দেওয়ার অভিযোগ মোদীর মন্ত্রিসভার সদস্য শান্তনুর বিরুদ্ধে

July 7, 2024 | 2 min read

শান্তনু ঠাকুর

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি: গুরুতর অভিযোগ উঠল মোদী সরকারের জাহাজ ও বন্দর মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের বিরুদ্ধে, পাচারে মদত দেওয়ার মতো মারাত্মক অভিযোগ উঠছে বনগাঁর বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে। সীমান্তবর্তী এলাকায় অবাধে চোরাচালান চালাতে বহু লোককে নিজের লেটারহেডে লিখিত অনুমোদন দিচ্ছেন দেশের মন্ত্রী। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত প্রহরার দায়িত্বে থাকা বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের কর্তাদের কাছে চলে যাচ্ছে বিজেপি সাংসদের সেই চিঠি। দেখালেই কাজ হাসিল! বনগাঁর বিজেপির সাংসদের কথা অক্ষরে অক্ষরে মানছেন বিএসএফ কর্তারা। ব্যবসার অনুমতি মিলছে।

পাচারের বৈধ স্বীকৃতি হিসেবে এক শ্রেণির ব্যবসায়ী বিজেপি সাংসদের চিঠি ব্যবহার করছে। বিএসএফের তল্লাশি-জেরা কিছুই পোহাতে হচ্ছে না চিঠি থাকলে। স্বরূপনগর, ঘইরাডাঙা, হাকিমপুর, কিটিন্ডা, পেট্রাপোল পাচারের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে।

শান্তনু ঠাকুরের এহেন সুপারিশের চিঠি এক জনপ্রিয় বাংলা দৈনিক আজ প্রকাশ করেছে। চিঠিতে দেখা যাচ্ছে, গত ২ জুলাই নিজের লেটারহেডে জনৈক জিয়ারুল গাজি নামের এক ব্যক্তিকে অনুমোদন দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। জিয়ারুল হাকিমপুরের বাসিন্দা। সীমান্ত এলাকায় ৩ কেজি করে গো-মাংসের কারবার চালানোর জন্য তাঁকে ছাড়পত্র দেওয়ার সুপারিশ করেছেন শান্তনু। বিএসএফের ৮৫ নম্বর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাকে চিঠি দিয়েছেন গেরুয়া সাংসদ।

মতুয়া ঠাকুর বাড়ির সদস্য এভাবে সরাসরি গো-মাংসের কারবারকে উৎসাহিত করায় ক্ষুব্ধ সংঘ। সঙ্ঘের গো-সেবা গতিবিধির পশ্চিমবঙ্গ শাখার কো-অর্ডিনেটর ললিত আগরওয়াল বলেন, বেআইনি বিষয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর জড়িত থাকাটা আশ্চর্যের। আরএসএসের শীর্ষ আধিকারিকদের বিষয়টি জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

তৃণমূলের অভিযোগ, সীমান্ত এলাকায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সাহায্যে দেদার চলছে বেআইনি ব্যবসা। এমন অবৈধ কারবার চালানোর জন্য স্থানীয়স্তরে প্রথমে নিলাম ডাকা হয়। বিরাট অঙ্কের টাকার বিনিময়ে কয়েকজন বরাত পান। তারপর চড়া দামে বিক্রি করা হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ‘লিখিত পারমিট’। তা দেখিয়ে বিনা বাধায় চলে চোরাচালান।

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

#bjp, #PM Modi, #Santanu Thakur, #Illegal business, #Trafficking

আরো দেখুন