আইপ্যাক কর্তার বাড়িতে ED-র ‘জোর করে’ প্রবেশ ও নিরাপত্তারক্ষীদের হেনস্তা! তদন্তে পুলিশ

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি, ১৬:২২: আইপ্যাক (I-PAC) কর্ণধার প্রতীক জৈনের আবাসে জোর করে ‘অনুপ্রবেশ’ ইডির! নিরাপত্তারক্ষীদের ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগের তদন্তেে নেমেছে কলকাতা পুলিশ। আর তাতেই উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ সূত্রে খবর, ইডি আধিকারিকরা নিয়ম মেনে আবাসনের ভিজিটার্স রেজিস্টারে নাম নথিভুক্ত করেননি। অভিযোগ, আবাসনের নিরাপত্তারক্ষীদের ধাক্কা দিয়ে ও জোর করে ইডি আধিকারিকরা ভেতরে প্রবেশ করেন এবং তাঁদের মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়।
ইতোমধ্যেই কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police) আবাসনের সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজ, ডিভিআর এবং সিকিউরিটি রেজিস্টার বাজেয়াপ্ত করেছে। নিরাপত্তারক্ষী ও পরিচারিকাদের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযানের সময় ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানতে প্রতীক জৈনের প্রতিবেশীদেরও নোটিশ পাঠিয়ে তলব করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) অভিযোগ করেছিলেন যে ইডি অভিযানের নামে তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী নথি ও তথ্য চুরি করেছে। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে শেক্সপিয়র সরণি ও ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়। অন্যদিকে, রাজ্যে তদন্তে বাধার অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্য পুলিশের ডিজি ও পুলিশ কমিশনারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) পাল্টা মামলা দায়ের করেছে ইডি।
তৃণমূল কংগ্রেসের ডিজিটাল যোদ্ধাদের প্রথম কনক্লেভে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বার্তা দিলেন, আগামী ১০০ দিন সমাজমাধ্যমে বিজেপিকে এক ইঞ্চিও জায়গা দেওয়া যাবে না। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি সামান্য সুযোগ পেলেই তা কাজে লাগিয়ে বাংলার মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। সংবাদমাধ্যমের সদস্যরা বাধ্য হচ্ছেন বিজেপির নির্দেশে কাজ করতে, ফলে সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগ মানুষের সামনে তুলে ধরা সম্ভব হচ্ছে না।
অভিষেক জানান, এই পরিস্থিতিতে ডিজিটাল যোদ্ধাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে। তিনি নির্দেশ দেন, আগামী ১০০ দিন ধরে রাজ্যের প্রতিটি কোণে সরকারের কাজের খতিয়ান তুলে ধরতে হবে।
সোমবার আয়োজিত এই কনক্লেভে সারা রাজ্য থেকে ১০ হাজারেরও বেশি ডিজিটাল যোদ্ধা অংশ নেন। এখানে তাঁদের সমাজমাধ্যম ব্যবহারের কৌশল শেখানো হয় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে তাঁদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন।