ফের বিহার! নিট পরীক্ষার্থীর রহস্যমৃত্যু, পরিবারের অভিযোগ ধর্ষণ করে হত্যা তরুণীকে

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি, ১১.৩০: আবার মহিলাদের উপর নৃশংস অপরাধ ঘটল NDA শাসিত বিহারে। ডবল ইঞ্জিন রাজ্যে নিট পরীক্ষার্থীর রহস্যমৃত্যু ঘিরে উত্তাল পাটনা। জেহনাবাদের বাসিন্দা ওই তরুণী পাটনার মুন্না চকের একটি হোস্টেলে থাকত। রবিবার রাতে হোস্টেলের ঘর থেকে তাঁর অচৈতন্য দেহ উদ্ধার হয়। চিকিৎসা চলাকালীন তরুণীর মৃত্যু হয়। মৃতার পরিবারের অভিযোগ, ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে ওই তরুণীকে। পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে পাটনার কারগিল চক এলাকায় বিক্ষোভ দেখান মৃতার পরিবার ও পরিজনরা। তাতেই অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে গোটা এলাকা। দফায় দফায় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজধানী পাটনা।
পরিবারের অভিযোগ, যৌন নির্যাতনের পর খুন করা হয়েছে ওই তরুণীকে। ঘটনা ধামাচাপা দিতে হোস্টেল মালিক, পুলিশ ও চিকিৎসকরা জোট বেঁধেছেন বলেও দাবি পরিবারের। যদিও প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, যৌন নির্যাতনের কোনও প্রমাণ মেলেনি তদন্তে। পরীক্ষা করে তরুণীর দেহে ঘুমের ওষুধের অস্তিত্ব মিলেছে। মৃতার ফোন পরীক্ষা করেও একাধিক প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি পুলিশের।
অন্যদিকে, সদ্যই বিহারে নর্তকীকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, শনিবার রাতে বিহারের পুর্ণিয়া জেলায় এক নর্তকীকে তুলে নিয়ে গিয়ে জোর করে মদ্যপান করানো হয়। তারপর ছ’জন মিলে তাঁকে ধর্ষণ করেন। এক অভিযুক্তের ফোন থেকে কোনও উপায়ে ১১২ নম্বরে ডায়াল করেন নির্যাতিতা। তারপর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। গুদাম থেকে নির্যাতিতাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জানা যাচ্ছে, নির্যাতিতার অবস্থা সঙ্কটজনক।
প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, গণধর্ষণ এবং মারধরের পর গুদামে নির্যাতিতাকে আটকে রেখে পাঁচ অভিযুক্ত পালিয়ে যান। এক অভিযুক্ত মত্ত অবস্থায় গুদামেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। নির্যাতিতার দাবি, মত্ত অভিযুক্তের ফোন নিয়ে ১১২ নম্বরে ডায়াল করে পুলিশকে ঘটনাটি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ গুদামে পৌঁছয়। সূত্রের খবর, গুদামের দরজা ভেঙে গুরুতর জখম অবস্থায় নির্যাতিতাকে উদ্ধার করা হয়। মত্ত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। নির্যাতিতাকে সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। তাঁর বয়ান রেকর্ড করেছে পুলিশ। যে গাড়িতে অপহরণ করা হয়েছিল সেটি ও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তরা এখনও অধরা।