অভিষেকের কর্মসূচি ব্যাহত করার চেষ্টার অভিযোগ, হেমন্ত সোরেনের চপারে বীরভূমযাত্রা তৃণমূল সেনাপতির
নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি, ১৪:০০: আটকে দেওয়া হয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কপ্টার। আজ, মঙ্গলবার বীরভূমের রামপুরহাটে একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের। তাঁর হেলিকপ্টার ওড়ার অনুমতি দেয়নি DGCA । দীর্ঘক্ষণ ধরে বেহালা ফ্লাইং ক্লাবে অপেক্ষা করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। পৌনে একটা নাগাদ তাঁর রামপুরহাট নামার কথা ছিল। তৃণমূলের অভিযোগ, গোটা ঘটনার নেপথ্যে চক্রান্ত রয়েছে। বীরভূম যাত্রা আটকানোর চক্রান্ত করা হচ্ছে। অবশেষ তিনি রওনা
দিলেন। প্রথমে অনুমতি না দেওয়া হলেও, অবশেষ মিলল অনুমতি। দুপুর ২ বেজে ১৮ মিনিটে উড়ল তৃণমূল সাংসদের হেলিকপ্টার।
অভিষেক আগেই জানিয়েছেন, অনুমতি না-মিললে প্রয়োজনে সড়কপথে রামপুরহাটে পৌঁছবেন তিনি। তিনি বললেন, “রামপুরহাটে যাব। সোনালি বিবির সঙ্গে দেখাও করব।” সূত্রের খবর, আরও দেরি হলে প্রয়োজনে তারাপীঠে রাত কাটানোর বিষয়ে ভাবনা চিন্তা অভিষেকের। DGCA-র তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। অনুমতি না মেলার কারণও জানানো হয়নি। তৃণমূলের দাবি, বিজেপি ষড়যন্ত্র করে অভিষেকের কর্মসূচি বানচালের চেষ্টা করছে।
মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বেহালা থেকে হেলিকপ্টারে করে বীরভূম যাওয়ার কথা ছিল অভিষেকের। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও তাঁর হেলিকপ্টার ওড়েনি। তৃণমূল সূত্রে খবর, হেলিকপ্টার ওড়ার জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি পাননি অভিষেক। দুপুর পর্যন্ত বেহালা ফ্লাইং ক্লাবে কপ্টারের অপেক্ষায় বসে ছিলেন তিনি। আপাতত তাঁর কর্মসূচি পিছিয়ে যাচ্ছে। তবে সব কর্মসূচিই হচ্ছে। মঙ্গলবার রাতে তিনি তারাপীঠের কোনও হোটেলে থেকে যেতে পারেন বলে খবর।
শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, অভিষেকের হেলিকপ্টারের অনুমতি মেলেনি। ঝাড়খণ্ড সরকারের সঙ্গে কথা বলে হেমন্ত সোরেনের কপ্টারে করে বীরভূম যাচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ঝাড়খণ্ড থেকে কপ্টার বেহালা পৌঁছল, তাতে চাপলেন অভিষেক।