‘টপার’ শ্রীনিকেতন-কে হারিয়ে, দক্ষিণের শীতলতম স্থানের মুকুট নদীয়ার কল্যাণীর মাথায়

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি, ১১:১৫: রবিতে তাপমাত্রার পারদ খানিকটা চড়লেও সোমে আবার পতন! সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে গেল শীতের নিরিখে দক্ষিণবঙ্গের
শীতলতম স্থানের আসন। প্রথম স্থান দখলে রেখেছিল বীরভূমের শ্রীনিকেতন। নাগাড়ে সেখানে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির কম থাকছিল। ক’দিন আগে পারদ নেমে গিয়েছিল সাড়ে ৬ ডিগ্রিতেও। সোমবার আসন বদলে গেল। শ্রীনিকেতনকে হারিয়ে দক্ষিণবঙ্গে শীতলতম হল নদিয়ার কল্যাণী। সোমবার কল্যাণীতে পারদ নেমেছে সাড়ে ৭ ডিগ্রিতে। গোটা বাংলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রার নিরিখে দার্জিলিঙের পরই এখন কল্যাণীর ঠাঁই হয়েছে।
সোম সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ১.৪ ডিগ্রি কম। দার্জিলিঙের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, রাজ্যে শীতলতম। কল্যাণীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শ্রীনিকেতনে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ঝাড়গ্রামে ৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আসানসোলে ৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বারাকপুরে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পুরুলিয়ায় ১১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বর্ধমানে ১০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
হাওয়া অফিস জানিয়েছে, রাজ্যজুড়ে জাঁকিয়ে শীত থাকবে। এখনই ঠান্ডার হাত থেকে রেহাই পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। মকর সংক্রান্তিতেও কনকনে ঠান্ডা থাকবে। আগামী দু’দিনে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা আরও দুই থেকে তিন ডিগ্রি কমতে পারে। উত্তরবঙ্গে আগামী সাত দিনে তাপমাত্রা খুব একটা ফারাক হবে না। গোটা রাজ্যেই কুয়াশার সতর্কতা থাকছে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে কুয়াশার জেরে দৃশ্যমানতা কমতে পারে। উত্তরের জেলাগুলিতে ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি রয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা ৫০ মিটারেও নেমে যেতে পারে।