পিছিয়ে গেল ED-তৃণমূল মামলা বিচারপ্রক্রিয়া, পরবর্তী শুনানির তারিখ আগামী ১৪ জানুয়ারি

January 9, 2026 | 2 min read

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি, ১৫:০০: বেনজির ঘটনার সাক্ষী থাকল কলকাতা হাই কোর্ট। শুক্রবার দুপুরে আইপ্যাক মামলার শুনানি মুলতুবি করে দিলেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ। জানা যাচ্ছে, ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত শুনানি মুলতুবি করা হয়েছে। সূত্রের খবর, হাই কোর্টে ভিড়ের কারণেই আইপ্যাক মামলার শুনানি শুরু করা যায় না। এজলাস ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন বিচারপতি ঘোষ। তারপর মামলার সঙ্গে যুক্ত তৃণমূলের আইনজীবীরাও এজলাস ছেড়ে বেরিয়ে যান।

শুনানি শুরু হতেই কোর্ট অফিসার বলেন, প্রচুর ভিড়ে শুনানির কাজ হচ্ছে না। ইন্টার্ন আইনজীবীরা এজলাস থেকে চলে যান। বিচারপতি ঘোষ বলেন, ৫ মিনিট সময় দেওয়া হচ্ছে মামলার সঙ্গে যুক্ত নন এমন আইনজীবীরা বেরিয়ে যান। অত্যধিক ভিড় হয়ে গিয়েছে। না-হলে এজলাস ছেড়ে বেরিয়ে যেতে হবে। আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অনুরোধের সুরে বলেন ইন্টার্ন এবং মামলার সঙ্গে যুক্ত নন আইনজীবীরা বেরিয়ে যান। কেউ কিছু মনে করবেন না।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা নাগাদ আইপ্যাকের কর্ণধার ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি হানা দেয়। দুপুরে সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিসে ইডির তল্লাশি অভিযান চলছিল। সংস্থার প্রধান প্রতীক জৈনের বাড়িতে যেমন নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, তেমনই আইপ্যাকের অফিস থেকেও একাধিক ফাইলের বান্ডিল নিয়ে বেরোতে দেখা যায় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের। মমতা অভিযোগ করেন, তৃণমূলের রাজনৈতিক কৌশল চুরি করে এসেছে ইডি। দলের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র গোপনে কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। কেন্দ্রীয় সরকার তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর বিরুদ্ধে সরব হন মমতা। অভিযোগ করেন, তাঁর নির্দেশেই এমন কাজ করেছে ইডি। জোড়া মামলা দায়ের হয়। ইডির অতিসক্রিয়তা নিয়ে সরব হন তৃণমূল নেত্রী।

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির বিরুদ্ধে শেক্সপীয়র থানায় অভিযোগ জানান প্রতীক জৈন (Pratik Jain)। শুধু তাই নয়, আইপ্যাকের পর ইডির বিরুদ্ধে মামলা করে তৃণমূলও। আজ, শুক্রবার দুপুরে কলকাতা হাই কোর্টে জোড়া মামলার শুনানি হয়। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ জানান, ইডি ও তৃণমূলের জোড়া মামলার একসঙ্গে শুনানি হবে। সেই মামলা শুনতে পারলেন না বিচারপতি। আগামী ১৪ তারিখ মামলার শুনানি হবে।

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

ভিডিও

আরও পড়ুন

Decorative Ring
Maa Ashchen