প্রস্তাব ও বাস্তবের ফারাক ঢাকার ফন্দি! এবারেও ‘পিঙ্ক বুক’ প্রকাশের পথে হাঁটছে না রেল?

January 12, 2026 | 2 min read

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি, ১০:১১: এবারেও ‘প্রথা’ ভাঙার দিকে এগোচ্ছে মোদী সরকারের রেলমন্ত্রক। পৃথক রেল বাজেট আগেই উঠে গিয়েছে। ধীরে ধীরে ‘পিঙ্ক বুক’-কেও লাটে তুলে দিচ্ছে বিজেপি সরকার। এবারেও হয়ত সাধারণ বাজেট পেশের পরও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে না রেলের বিভিন্ন প্রকল্প সংবলিত ‘পিঙ্ক বুক’। প্রস্তাবিত ঘোষণা ও বাস্তবের মধ্যে ফারাক ঢাকতেই কি এমন সিদ্ধান্ত? উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন।

২৮ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে বাজেট অধিবেশন। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের এক তারিখ, রবিবার ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। প্রথা মতো বাজেট পেশের পর সংসদে রেলের ‘ডিমান্ডস ফর গ্রান্টস’ পেশের দিন প্রকাশিত হয় ‘পিঙ্ক বুক’। উল্লেখ্য, রেলের বিভিন্ন প্রকল্পে কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে, বিস্তারিত তথ্য-সহ সেই পরিসংখ্যান হল ‘পিঙ্ক বুক’। কোনও প্রকল্পের উল্লেখ একবার ‘পিঙ্ক বুকে’ থাকার অর্থই হল, আজ হোক বা পর কখনও সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের বাস্তবায়ন করতেই হবে। তাই ‘পিঙ্ক বুক’র তাৎপর্য অপরিসীম। বহু বছর ধরে ‘পিঙ্ক বুক’ প্রকাশের প্রথা চলে আসছে।

২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে ফেব্রুয়ারি মাসে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ হয়। সেই সময় ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের অন্তর্বর্তী ‘পিঙ্ক বুক’ প্রকাশিত হয়। এরপর আঠারোতম লোকসভায় পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশের সময় আর ‘পিঙ্ক বুক’ প্রকাশ করেনি রেল। ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের ‘পিঙ্ক বুক’ও প্রকাশ্যে আনা হয়নি। সূত্রের খবর, ‘প্রথা’ ভেঙে এবারেও রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব একই পথ অবলম্বন করবেন। ‘পিঙ্ক বুক’ হয়তো প্রকাশ্যে আসবে না। যদিও অভ্যন্তরীণভাবে ‘পিঙ্ক বুক’ প্রকাশ করতেই হবে। অন্যথায় রেলের কর্মকাণ্ড মুখ থুবড়ে পড়বে।

দুয়ারে বঙ্গের ভোট। মনে করা হচ্ছে, ভোটের বছরে বাংলায় বিপুল বরাদ্দ করতে পারে রেলমন্ত্রক। সব মিলিয়ে ১৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হতে পারে। তবে ‘পিঙ্ক বুক’ প্রকাশিত না হলে কী লাভ! কোন প্রকল্পে কত বরাদ্দ করা হল, তা তো জানাই যাবে না!

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

ভিডিও

আরও পড়ুন

Decorative Ring
Maa Ashchen