আজ হাই কোর্টে তৃণমূল-আইপ্যাক Vs ED, জোড়া শুনানিতে সরগরম রাজ্য রাজনীতি

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি, ১২:৩০: কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির বিরুদ্ধে শেক্সপীয়র থানায় অভিযোগ জানান প্রতীক জৈন (Pratik Jain)। শুধু তাই নয়, আইপ্যাকের পর ইডির বিরুদ্ধে মামলা করে তৃণমূলও। আজ, শুক্রবার দুপুরে কলকাতা হাই কোর্টে কেন্দ্রীয় সংস্থার মুখোমুখি হতে চলেছে তৃণমূল ও আইপ্যাক। জোড়া মামলার শুনানি হবে। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ জানিয়েছেন, ইডি ও তৃণমূলের জোড়া মামলার একসঙ্গে শুনানি হবে। দুটি মামলাই এক সঙ্গে শুনবেন তিনি।
বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা নাগাদ আইপ্যাকের কর্ণধার ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি হানা দেয়। দুপুরে সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিসে ইডির তল্লাশি অভিযান চলছিল। সংস্থার প্রধান প্রতীক জৈনের বাড়িতে যেমন নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, তেমনই আইপ্যাকের অফিস থেকেও একাধিক ফাইলের বান্ডিল নিয়ে বেরোতে দেখা যায় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের। মমতা অভিযোগ করেন, তৃণমূলের রাজনৈতিক কৌশল চুরি করে এসেছে ইডি। দলের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র গোপনে কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। কেন্দ্রীয় সরকার তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর বিরুদ্ধে সরব হন মমতা। অভিযোগ করেন, তাঁর নির্দেশেই এমন কাজ করেছে ইডি। জোড়া মামলা দায়ের হয়। ইডির অতিসক্রিয়তা নিয়ে সরব হন তৃণমূল নেত্রী।
আইপ্যাকের দপ্তরে তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইডির অভিযোগ, সাংবিধানিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাদের কাজে বাধা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। ইডির আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী আদালতে জানান, তাঁদের দায়ের করা মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) যুক্ত করা হচ্ছে। কারণ, ইডির তল্লাশির সময় মুখ্যমন্ত্রী সেখানে ছিলেন। ইডিকে আদালত মামলার অনুমতি দিয়েছে এবং শুক্রবারই দুপুর আড়াইটেয় শুনানি হওয়ার কথা। একই বেঞ্চে এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের দায়ের করা পাল্টা মামলাটিও উঠছে।