তৃণমূলের লড়াইয়ে ফসল! সেনাকর্মী, চিকিৎসাধীন, রাজ্যের বাইরে পাঠরত পড়ুয়াদের হাজির হতে হবে না শুনানিতে, নির্দেশ কমিশনের

January 9, 2026 | 2 min read

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি, ১৪:২৬: শুনানি নিয়ে বড় নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একের পর এক চিঠি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারে বারে সরব হওয়ার ফল মিলল, এমনই মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। সরকারি কর্মী, সেনা জওয়ান ও রাজ্যের বাইরে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থায় কর্মরত ব্যক্তিদের শুনানিতে সশরীরে হাজিরায় ছাড় দিল কমিশন। যাঁরা পড়াশোনার জন্য বাইরের রাজ্যে রয়েছেন বা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, তাঁদেরও শুনানিতে আসতে হবে না। এই মর্মে একটি নির্দেশিকা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন।

এই নির্দেশিকার প্রেক্ষিতে সমাজ মাধ্যমে দলের অফিসিয়াল হ্যান্ডেলে তৃণমূল লিখছে, “এটা আমাদের লড়াইয়ের ফল, এটাই আমাদের জয়। বাংলার মানুষের স্বার্থে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আমাদের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক শ্রী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে যে দাবি তুলেছিলেন, তা মানতে বাধ্য হল নির্বাচন কমিশন। যেসব ক্ষেত্রে “unmapped” ও “logical discrepancy” চিহ্নিত হয়েছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই SIR শুনানিতে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থাকার বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দিতে বাধ্য হয়েছে কমিশন। পড়াশোনা, বেসরকারি ক্ষেত্রে কাজ করার কারণে সাময়িকভাবে রাজ্যের বাইরে থাকা ব্যক্তি ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা ব্যক্তি, সরকারি কর্মচারী, সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য এবং PSU কর্মী, সাময়িকভাবে বিদেশে বসবাসরত ভোটার।”

বৃহস্পতিবার জারি করা নির্দেশিকায় কমিশন জানিয়েছে, সরকারি কর্মী, সেনা জওয়ান ও রাজ্যের বাইরে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থায় কর্মরত ব্যক্তিদের কাছে শুনানির নোটিশ গিয়ে থাকলে তাঁদের সশরীরে হাজিরা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সংশ্লিষ্ট ভোটারের কোনও আত্মীয় তাঁর পক্ষ থেকে নথি জমা দিতে পারবেন। নথি গ্রহণ করার পর তা যাচাই করা হবে। তারপরই তাঁর নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সরকারি কর্মীদের পাশাপাশি ভিন রাজ্যে বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও শুনানিতে সশরীরে হাজিরায় ছাড় দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রেও আত্মীয়রা শুনানিতে সংশ্লিষ্ট ভোটারের পক্ষে নথি জমা দিতে পারবেন বলে জানিয়েছে কমিশন।

পরিযায়ী শ্রমিক ও কর্মসূত্রে বিদেশে বসবাসকারী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে। জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ‘আনম্যাপ’ বা ‘সন্দেহজনক’ হিসেবে শুনানির নোটিশ পেয়ে থাকলে, উভয় ক্ষেত্রেই এই নিয়ম কার্যকর হবে। আনম্যাপ ভোটারদের পাশাপাশি বৃহস্পতিবার থেকে সন্দেহজনক ভোটারদেরও শুনানি শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূলের লাগাতার লড়াইয়ের ফলেই বাধ্য হয়ে ছাড় দিল কমিশন।

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

ভিডিও

আরও পড়ুন

Decorative Ring
Maa Ashchen