I-PAC অভিযানে কারা ছিলেন? ED আধিকারিকদের শনাক্তকরণে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি, ১৫:৫৫: ভোটকুশলী সংস্থা I-PAC-র কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও সংস্থার সল্টলেকের দপ্তরে ইডির অভিযানে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। পথে নেমেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। মামলা, পাল্টা মামলার জল আদালত অবধি গড়িয়েছে। তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ, ভোটের আগে রাজনৈতিক কৌশল, প্রার্থী তালিকা, নথি চুরি করতেই ইডির অভিযান। এবার মমতার অভিযোগের প্রেক্ষিতে বড় পদক্ষেপ করল কলকাতা পুলিশের। কারা এসেছিলেন অভিযানে? ইডিকে পরিচয় জানতে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং অফিস থেকে নথি চুরিতে ‘অভিযুক্ত’ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির আধিকারিকদের শনাক্তকরণের কাজ শুরু করল কলকাতা পুলিশ। ওইদিন অভিযানে উপস্থিত থাকা অধিকারিকদের আরও তথ্য পেতে এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটককে চিঠি পাঠাতে চলেছে কলকাতা পুলিশ। ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশের তদন্তে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টরের নেতৃত্বে প্রতীকের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছিল ইডি। অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার পদমর্যাদার অফিসাররাও হাজির ছিলেন।
সূত্রের খবর, তাঁরা কারা? এই বিষয়ে জানতে চেয়ে ইমেল মারফৎ চিঠি পাঠাতে চলেছে কলকাতা পুলিশ।
কেবল ইডি আধিকারিকদের পরিচয়ই নয়, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ছয় সিআরপিএফের পরিচয়ও জানার চেষ্টা করছে লালবাজার। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন আইপ্যাক কর্তার বাড়িতে অভিযানে আসা ইডির অফিসারদের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন ৬ জন সিআরপিএফ। তাঁদের পরিচয় জানতে সিআরপিএফের পূর্বাঞ্চলীয় দপ্তরে ই-মেল করবে পুলিশ। ঘটনার তদন্তে ইতিমধ্যেই প্রতীক জৈনের বাড়িতে গিয়েছিলেন কলকাতা পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা। বাড়ির যাবতীয় সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ ও ডিভিআর সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতীক জৈনের বাড়ির পরিচারিকা এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীদেরও বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে বলে খবর। বাড়ির সিকিউরিটি রেজিস্টারও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।