রামপুরহাটের বিধায়কের সুপারিশেই পদে বহাল ছিল আনারুল, জানালেন অনুব্রত

রামপুরহাটের ঘটনায় ভাদু, আনারুল ও অনুব্রতর আঁতাতের অভিযোগ উঠেছে বারবার।

March 31, 2022 | < 1 min read

Authored By:

Drishti Bhongi Drishti Bhongi

রামপুরহাট গণহত্যার ফাঁস ক্রমশ চেপে বসছে তাঁর গলায়। এমনকী দিল্লিতে তাঁকে গ্রেফতারির আবেদন জানিয়েছেন বিজেপি সাংসদরা। নিহত তৃণমূল নেতা ভাদু শেখের কারবারের বখরা তাঁর কাছে পৌঁছত বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে নিজেকে বাঁচাতে দলের বিধায়ক তথা ডেপুটি স্পিকারের দিকে তোপ দাগলেন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর দাবি, রামপুরহাটের বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুপারিশেই আনারুল হোসেনকে পদে বহাল রেখেছেন তিনি।

রামপুরহাট গণহত্যায় মূল অভিযুক্ত হিসাবে নাম উঠে আসছে আনারুলের। গত বৃহস্পতিবার তারাপীঠ থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর মধ্যে ঘটনার তদন্তভার গিয়েছে সিবিআইয়ের হাতে। আনারুলকে হেফাজতে নিয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। ওদিকে ঘটনায় সাক্ষ দিতে এসে আনারুলকেই দায়ী করেছেন বগটুই গ্রামে আক্রান্তদের পরিবারের সদস্যরা। এর পরই শুরু হয়েছে দায় এড়ানোর খেলা।

বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে একটি চিঠি প্রকাশ করে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, গত বছর ১০ জুন রামপুরহাটে গিয়ে বৈঠক করে আনারুলকে রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লক সভাপতির পদ থেকে সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের সিনিয়র লিডার আশিস দা ওকে পঞ্চায়েত নির্বাচন পর্যন্ত পদে বহাল রাখতে বলেন। আমি তাঁর সুপারিশ গ্রহণ করি।

রামপুরহাটের ঘটনায় ভাদু, আনারুল ও অনুব্রতর আঁতাতের অভিযোগ উঠেছে বারবার। এদিন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুপারিশপত্র প্রকাশ করে অনুব্রত বোঝানোর চেষ্টা করলেন, যে তাঁর সঙ্গে আনারুলের সখ্যের যে কাহিনী প্রচারিত হচ্ছে তা সত্য নয়। তবে বিজেপির রিপোর্টে তাঁকে গ্রেপ্তারির হয়ন দাবি নিয়ে কিছু বলতে চাননি বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি।

আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি বলেন, ‘‘আমি চিঠিটি লিখেছিলাম। কিন্তু ওই ব্লক সভাপতি সরবেন কি সরবেন না, সে সিদ্ধান্ত আমি নিতে পারি না।’’

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

ভিডিও

আরও পড়ুন

Decorative Ring
Maa Ashchen