ফের সাইবার প্রতারণার ধরণ বদল? চিন্তায় লালবাজার
দিন দিন সাইবার অপরাধের ধরণ বদলাচ্ছে অপরাধীরা।
Authored By:

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি: দিন দিন সাইবার অপরাধের ধরণ বদলাচ্ছে অপরাধীরা। নিত্যনতুন প্রতারণার ফাঁদ পাতছে তারা। নয়া কৌশল নিচ্ছে সাইবার দুষ্কৃতীরা। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বা মোবাইল ওয়ালেট আর নয়! দুষ্কৃতীরা ই-মেলের মাধ্যমে গিফট ভাউচার বানিয়ে নিচ্ছে। সাইবার দুষ্কৃতীরা অপরাধের ধরণ বদলানোয় উদ্বিগ্ন গোয়েন্দারা। লালবাজার মনে করছে, আগামীতে সাইবার দুষ্কৃতীদের নাগাল পেতে সমস্যা হবে।
চলতি সপ্তাহে লালবাজারের এমনই অভিযোগ এসে বলে জানা যাচ্ছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ডিরেক্টরের নাম করে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক ছাত্রীকে একটি ই-মেল পাঠানো হয়েছিল। ই-মেলে ডিরেক্টর এক নামী ই-কমার্স সাইট থেকে গিফট ভাউচার কিনে তাঁকে ই-মেল করে পাঠাতে অনুরোধ করেন। ছাত্রীটি ২৫ হাজার টাকা দিয়ে গিফট ভাউচার কিনে তা ডিরেক্টরকে পাঠিয়ে দেন। ই-মেলটি আদপে সাইবার দুষ্কৃতীদের কাছ থেকে এসেছিল। ফের একই মেল আসায়। ছাত্রীর সন্দেহ বাড়ে। ছাত্রী বুঝতে পারেন প্রতারিত হয়েছেন। লালবাজারে অভিযোগ দায়ের করেন।
গোয়েন্দাদের বক্তব্য, এতদিন সাইবার দুষ্কৃতীরা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বা ওয়ালেটে টাকা উধাও করত। দ্রুত অভিযোগ পেলে, গোয়েন্দারা সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের সঙ্গে যোগাযোগ করে সহজেই টাকা উদ্ধার করতে পারতেন। কিন্তু গিফট ভাউচারের ক্ষেত্রে উদ্ধারে সমস্যা হবে। দুষ্কৃতীরা ভুয়ো মেল আইডি, ইউআরএল অ্যাড্রেস তৈরি করেছে, তার হদিশ পেতে জিমেল-কে চিঠি পাঠাতে হবে গোয়েন্দাদের। কার নামে ভুয়ো মেল আইডি তৈরি হচ্ছে, তা জানার পরই টাকা উদ্ধার করা যাবে। এতে অনেকটাই সময় লাগবে, টাকা উদ্ধার অনিশ্চিত হয়ে যেতে পারে।