টানা বৃষ্টি ও ধসের জেরে বেহাল অবস্থা দার্জিলিংয়ের, পর্যটকদের সতর্ক করেছে প্রশাসন

কয়েকদিনের বিরতির পর গত ৩-৪ দিনে ফের বিপর্যয় শুরু করেছে দার্জিলিংয়ে। বুধবার থেকেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি।

October 5, 2024 | < 1 min read

Authored By:

Drishti Bhongi Drishti Bhongi

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি: টানা বৃষ্টি ও ধসের জেরে বেহাল হচ্ছে দার্জিলিংয়ের অবস্থা। পাহাড়েও দুর্যোগ অব্যাহত। শুক্রবার নতুন করে আবার ধস নেমেছে। এখন যা পরিস্থিতি তা খুব একটা ভাল নয় বলেই মনে করছেন অনেকে।

গত রবিবার উত্তরবঙ্গের বন্যাপরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করেছিলেন প্রশাসনিক বৈঠকও। মাঝে কিছুটা বৃষ্টি ধরলেও পরে টানা বৃষ্টিতে ফের ধস নেমেছে দার্জিলিঙে। মারা গেছেন এক বৃদ্ধ। জখমের সংখ্যা বহু।

কয়েকদিনের বিরতির পর গত ৩-৪ দিনে ফের বিপর্যয় শুরু করেছে দার্জিলিংয়ে। বুধবার থেকেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি। সেই সঙ্গে ধস নামছে নানা জায়গায়। দার্জিলিং শহরে ও দার্জিলিং যাওয়ার পথে ধস নেমেছে একাধিক জায়গায়। ধসে চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে এক বৃদ্ধেরও। প্রবল বর্ষণের জেরে এবার ভূমিধস নেমেছে। বৃহস্পতিবার দার্জিলিং-এর জোরবাংলো-সুখিয়াপোখরি ব্লকের প্লুংডুং গ্রামে বাড়ি ধসে যায়। বাড়িতেই চাপা পড়ে মারা যান ৭৯ বছর বয়সী রঘুবীর রাই।

শুক্রবার লোধামার কাছে হাট্টা এলাকায় দার্জিলিংয়ের বিজনবাড়ি যাওয়ার রাস্তায় ধস নামে। ফলে এলাকায় তীব্র যানজট তৈরি হয়। অন্যদিকে সিকিমগামী ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক খুলে দেওয়া হলেও তা যাতায়াতের অযোগ্য বলে দাবি করছেন পর্যটকরা।

এখন দার্জিলিং, কালিম্পং, সিকিম যাওয়ার প্রতিটি রাস্তাই বিপর্যস্ত। বিকল্প যে রাস্তাগুলো রয়েছে যেমন লাভা-গরুবাথান হয়ে পাহাড়ে ওঠার রাস্তা কিংবা রোহিণী, পাঙ্খাবাড়ি, হিলকোর্ট সব রাস্তাই নতুন করে ধস নামায় ক্ষতিগ্রস্ত। প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে পর্যটকরা যেন খবর নিয়ে তবেই এসব রাস্তায় যাওয়া আসা করেন।

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

ভিডিও

আরও পড়ুন

Decorative Ring
Maa Ashchen