“মুখ্যমন্ত্রীই আমার বাঁচার কারণ, আমার সন্তানের নামও তিনিই রাখুন”-আইনি লড়াই শেষে বাড়ি ফিরে আবেদন সোনালির

December 7, 2025 | < 1 min read

Authored By:

Raj Raj

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি, ৯.০০: দীর্ঘ আট মাসের দুশ্চিন্তা, আইনি লড়াই ও সীমান্ত পারাপারের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অবশেষে নিজের মাটিতে ফিরলেন বীরভূমের সোনালি বিবি। ‘বাংলাদেশি’ তকমা সয়ে জেলবন্দিত্বের পর ফেরার মুহূর্তে আবেগে ভেসে উঠলেন তিনি। পাইকর গ্রামে পৌঁছে কাঁদতে কাঁদতেই প্রতিবেশীদের উদ্দেশে তাঁর অনুরোধ— তাঁর অনাগত সন্তানের নাম যেন দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সোনালি বলেন, “আমি আজ বেঁচে আছি তাঁর কারণেই। ছেলে হোক বা মেয়ে— নামকরণ করবেন মুখ্যমন্ত্রী। আমি তাঁর কাছে সারাজীবন ঋণী।”

গত কয়েক মাস আগেই দিল্লিতে বাংলায় কথা বলার অভিযোগে তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে ‘বাংলাদেশি’ বলে চিহ্নিত করা হয়। দিল্লি পুলিশ তাঁদের তুলে দেয় বিএসএফের হাতে। এরপর তাঁদের পাঠিয়ে দেওয়া হয় বাংলাদেশে এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলে থাকতে হয় পুরো পরিবারকে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের প্রতিনিধিদের তৎপরতায় শুরু হয় আইনি প্রক্রিয়া ও ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ। অবশেষে মালদহ সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরেন সোনালি ও তাঁর নাবালক সন্তান। যদিও এখনও বাংলাদেশে আটকে রয়েছেন তাঁর স্বামীসহ আরও চারজন।

বাংলায় ফিরে প্রথমে মালদহ মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসা, তারপর সরকারি অ্যাম্বুল্যান্সে ফেরানো হয় পাইকর। সেখানেই স্থানীয়রা ফুল ও অভ্যর্থনায় সোনালিকে স্বাগত জানান। পরে তাঁকে ভর্তি করা হয় রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজে।

রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের বক্তব্য— “এটাই প্রমাণ, সত্যকে চেপে রাখা যায় না।”
অন্যদিকে মন্ত্রী শশী পাঁজার আক্রমণ— “কেন্দ্রের অবহেলায় নিরীহ পরিবারকে অপমান সহ্য করতে হয়েছে।”

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

ভিডিও

আরও পড়ুন

Decorative Ring
Maa Ashchen