এরপর কী করতে হবে আমেরিকা জানে, নাম না-করে কাকে হুঁশিয়ারি জেলেনস্কির?
নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি, ,১৭:৪০: ভেনেজুয়েলায় ঢুকে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে অপহরণ করেছে আমেরিকান বাহিনী। ট্রাম্পের এ পদক্ষেপকে সমর্থন করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। জেলেনস্কি মাদুরোকে একনায়ক বলেও উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি নাম না-করে পুতিনের উদ্দেশ্যে তাঁর হুঁশিয়ারি, আমেরিকা জানে এর পর কী করতে হবে!
ভেনেজুয়েলার ঘটনা নিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট যে ট্রাম্পের পাশেই রয়েছে তা কার্যত বুঝিয়ে দিয়েছেন। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে একনায়কও বলেন তিনি। জেলেনস্কি বলেন, “এরপর কী করতে হবে, আমেরিকা জানে।”
শনিবার জেলেনস্কি ইউরোপের দেশগুলির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তার পর তাঁকে ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করলে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমি এই বিষয়ে কী বলব? আমি কি বলতে পারি?” এরপরই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন তিনি, “যদি এ ভাবে একনায়কদের মোকাবিলা করা যায়, তা হলে আমেরিকাও জানে যে, এরপর কী করতে হবে।”
শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান এবং সস্ত্রীক মাদুরোকে অপহরণের কথা ঘোষণা করেন। শোয়ার ঘর থেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে তুলে নিয়ে যায় মার্কিন বাহিনী। কপ্টারে চাপিয়ে প্রথমে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় মার্কিন জাহাজে। তারপর সেখান থেকে সরাসরি নিয়ে যাওয়া হয় নিউ ইয়র্কে। ভারতীয় সময় রবিবার সকালে ব্রুকলিনের ডিটেনশন ক্যাম্পে মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে বন্দি করেছে আমেরিকা। সেই ফুটেজও প্রকাশ করা হয়েছে। বন্দি মাদুরো প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘‘গুড নাইট। হ্যাপি নিউ ইয়ার।’’ ট্রাম্পের পদক্ষেপের নিন্দায় সরব হয়েছে চীন, রাশিয়া, ইরান, কলম্বিয়া, কিউবার মতো দেশ।