দুর্গাপুরকাণ্ড: অভিযোগকারী ডাক্তারি ছাত্রীর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু, অভিযুক্তের শনাক্তকরণ সম্পন্ন
নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি, ১৫:২০: দুর্গাপুর মেডিক্যাল কলেজের ডাক্তারি পড়ুয়ার ‘ধর্ষণকাণ্ডে’ শুক্রবার থেকে শুরু হল বিচারপ্রক্রিয়া। মাত্র একজনকেই ধর্ষক হিসাবে অভিযুক্ত করেছেন অভিযোগকারিণী। ঘটনার ৯৬ দিন পর নির্যাতিতার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হল। আজ, শনিবারেও বিশেষ আদালতের সাক্ষ্যগ্রহণ হবে। বন্ধ কোর্টরুমে সাক্ষ্যগ্রহণ হচ্ছে। অভিযুক্তদের আইনজীবী শেখর কুন্ডু, আইনজীবী সৌমেন মিত্র এবং সরকারি আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় ও তাঁদের সহকারীরা উপস্থিত থাকছেন।
নির্যাতিতার অভিযোগ ছিল, জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে সহপাঠী তাঁর সঙ্গে অভব্য আচরণ করেছেন। পুলিশ যে পাঁচ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছিল, তাঁদের একজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেছিলেন ওই ছাত্রী। আদালতে দেওয়া এহেন বয়ান পুলিশের কাছে বদলে ফেলেছিলেন তিনি।
উল্লেখ্য, বিগত বছর ১০ অক্টোবর রাতে দুর্গাপুরের বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রী খাবার খেতে তাঁর পুরুষ সহপাঠীর সঙ্গে কলেজ ক্যাম্পাসের বাইরে বেরিয়েছিলেন। অভিযোগ, তখন গণধর্ষণের শিকার হন ছাত্রী। সহপাঠী-সহ ছ’জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সকলের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগ এনে শুরু হয় মামলা। শুক্রবার শুরু হয়েছে সেই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ। ঘটনার পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার সময় নির্যাতিতা বয়ান দিয়েছিলেন। পুলিশের কাছে সেই বয়ান বদলে যায় বলে দাবি। সূত্রে খবর, পুলিশের কাছে দেওয়া বয়ানই আদালতে বলেছেন ওই ছাত্রী।
প্রায় তিন ঘণ্টা টানা সাক্ষ্য দেন তিনি। ঘটনার বর্ণনা দেন অভিযোগকারিণী। সহপাঠী ছাড়া বাকি পাঁচ অভিযুক্তকে তিনি শনাক্ত করেছেন। একজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগও করেন। পুলিশের কাছে দেওয়া ‘নির্যাতিতা’র বয়ান, গোপন জবানবন্দি, এফআইআর এবং ৬টি মেডিক্যাল রিপোর্ট পেশ করা হয় আদালতে। আজ, ফের নির্যাতিতার সাক্ষ্যগ্রহণের পাশাপাশি সওয়াল হতে পারে।