‘জয় মা মনস্কামনা’, ‘জয় মা হ্যান্টা কালী’ মোদী উচ্চারণে বিপন্ন ঈশ্বরও
নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি, ১৮:৫৬: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হয়ে যান ‘রবীন্দ্রনাথ স্যান্যায়’, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় হয়ে ‘বঙ্কিমদা’! বার বার বাংলার মনীষীদের নামের দফা রফা করে এসেছেন মোদী, অমিত শাহ। এবার মোদীর উচ্চারণ বিভ্রাটে বিপন্ন ঈশ্বরও। তেত্রিশ কোটি দেবদেবীর মধ্যে হাজার খুঁজেও বাঙালি ‘হ্যান্টা কালী’ আর মা ‘মনস্কামনা’-কে খুঁজে পাচ্ছে না।
শনিবার শীতের দুপুরে বঙ্গে আসেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সরকারি কর্মসূচি ছাড়াও রাজনৈতিক সভা করেন দেশের হিন্দুত্বের অন্যতম পোস্টার বয় নরেন্দ্র মোদী। বক্তব্য রাখতে উঠে, ভোটের বঙ্গে বাঙালি আবেগ উস্কে দিতে মোদী বলেন, ‘জয় মা মনস্কামনা’, ‘জয় মা হ্যান্টা কালী’। বিরোধীরা খোঁচা দিয়ে মোদীকে টেলিপ্রমটার প্রধানমন্ত্রী বলেন। অতীতে বাংলা নিয়ে বার বার ভুল তথ্য এবং ভ্রান্ত উচ্চারণে ফোয়ারা ছুটিয়েছেন মোদী ও তাঁর দলের নেতারা। এদিনও উচ্চারণ-বিভ্রাট পিছু ছাড়ল না।
সদ্যই কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী দেশের অন্যতম দুই শতাব্দী প্রাচীন ক্লাবকে ‘ইস্টবেগন’, ‘মোহনবেগন’ বলে উল্লেখ করেন। ভারতীয় রেল সিউড়ি স্টেশনকে ‘সৌদি স্টেশন’ বানিয়ে ফেলেছি ক’দিন আগেই।
আর নির্বাচন কমিশনের বাংলার ঠেলায় নথি আছে শুনানির লাইনে ছুটছেন বাঙালিরা। অমিত শাহের অধীনে থাকা দিল্লি পুলিশ একদা মনে করেছিল বাংলা বলে কোনও ভাষাই নেই। ভাষার নাম বাংলাদেশি ভাষা। বিজেপি ও মোদী সরকার বার বার বাংলা ও বাংলা ভাষাকে অপমান করে বলে অভিযোগ করে তৃণমূল কংগ্রেসের। মোদীর বাংলা বিভ্রাটের নয়া সংযোজন ‘জয় মা মনস্কামনা’, ‘জয় মা হ্যান্টা কালী’। যা নিয়ে নেটভুবনে হাসির রোল উঠেছে।