প্রথম ম্যাচেই ম্যাজিক! ক্যারিকের হাত ধরে ডার্বি জয় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি, ১০:২৫: ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ডাগআউটে বসেই স্বপ্নের শুরু করলেন মাইকেল ক্যারিক। প্রিমিয়ার লিগে শনিবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার সিটিকে ২-০ গোলে হারিয়ে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে নতুন আশার আলো জ্বালালেন সদ্য নিযুক্ত এই কোচ। দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই এমন পারফরম্যান্স নিঃসন্দেহে ইউনাইটেড সমর্থকদের মনে দীর্ঘদিনের জন্য দাগ কেটে থাকবে।
রুবেন আমোরিম বরখাস্ত হওয়ার পর মরশুমের শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী দায়িত্ব পেয়েছেন ক্যারিক। হাতে রয়েছে মাত্র ১৭টি ম্যাচ—স্থায়ী কোচ হওয়ার দাবিদার হতে গেলে প্রতিটি ম্যাচই তাঁর কাছে পরীক্ষা। তবে পেপ গার্দিওলার শক্তিশালী সিটির বিরুদ্ধে ১৯৮তম ম্যানচেস্টার ডার্বিতে এমন দাপুটে জয় তাঁর পক্ষে এর চেয়ে ভালো শুরু হতে পারত না।
দ্বিতীয়ার্ধে ব্রায়ান এমবেউমো ও প্যাট্রিক ডর্গুর গোলেই জয় নিশ্চিত করে ইউনাইটেড। যদিও স্কোরলাইন আরও বড় হতে পারত। ম্যাচে দু’বার কাঠে লেগেছে বল, সিটির গোলকিপার জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মাকে একাধিকবার দুর্দান্ত সেভ করতে হয়েছে, আর অফসাইডের কারণে বাতিল হয়েছে তিনটি গোল।
শুরুর দিক থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল ইউনাইটেড। ম্যাচের তিন মিনিটের মাথায় হ্যারি ম্যাগুয়ারের হেড ক্রসবারে লাগে। বিরতির আগেই আরও দু’টি গোল বাতিল করে দেয় VAR। দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক সুযোগ নষ্ট করলেও ৬৫ মিনিটে অবশেষে লিড নেয় ক্যারিকের দল। দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ব্রুনো ফার্নান্দেসের বাড়ানো বল থেকে নিখুঁত বাঁ পায়ের শটে গোল করেন এমবেউমো।
৭৬ মিনিটে ডর্গু ব্যবধান বাড়ান কাছ থেকে গোল করে। শেষদিকে আমাদ দিয়ালো পোস্টে মারেন, আবার বদলি হিসেবে নামা মেসন মাউন্টের গোল অফসাইডে বাতিল হয়। ততক্ষণে ফলাফল কার্যত নির্ধারিত।
চূড়ান্ত বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই ক্যারিকের মুখে ছিল প্রশস্ত হাসি। গ্যালারিতে বসে ম্যাচ উপভোগ করছিলেন স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন—তাঁর মুখেও ছিল একই রকম গর্বের ছাপ।