ওড়িশায় বাঙালিদের ‘বাংলাদেশি’ তকমা দিয়ে মারধর! মোদীর ‘অমৃত কাল’-কে বিঁধে সরব তৃণমূল

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি, ২১.০০: ওড়িশায় ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে বাঙালিদের ওপর হামলা! বিজেপি সরকারকে কাঠগড়ায় তুলল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিবেশী রাজ্যে বাঙালিদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার অভিযোগ এনে x হ্যান্ডেলে একটি কড়া বিবৃতি পেশ করেছে রাজ্যের শাসক দল।
তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপির (BJP) তথাকথিত ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের শাসনে বাঙালিদের ওপর প্রকাশ্য দিবালোকে ‘লিঞ্চ মব’ বা উন্মত্ত জনতা লেলিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ওড়িশার প্রসঙ্গ টেনে দলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সেখানে নিরীহ বাঙালি যুবকদের শুধুমাত্র বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণে ‘বাংলাদেশি’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং তাঁদের ওপর অকথ্য অত্যাচার চালানো হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) ‘অমৃত কাল’-এর স্লোগানকে কটাক্ষ করে তৃণমূল প্রশ্ন তুলেছে, “বাংলা ভাষায় কথা বলা কি এখন অপরাধ?” দলের পোস্টে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে, যে ভাষা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, স্বামী বিবেকানন্দ এবং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মতো মনীষীদের উপহার দিয়েছে, সেই ভাষাকেই আজ ‘বিদেশি’ হওয়ার প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
বিজেপির রাজনীতিকে ‘বিকৃত’ ও ‘সাম্প্রদায়িক’ আখ্যা দিয়ে তৃণমূলের প্রশ্ন, “কোন মানসিকতায় বাচনভঙ্গি বা উচ্চারণ দেখে নাগরিকত্ব নির্ধারণ করার অধিকার উন্মত্ত জনতার হাতে তুলে দেওয়া হয়?” ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) বা দেশের সংবিধান কি বাংলা ভাষাকে অপরাধী সাব্যস্ত করেছে, নাকি বাঙালিদের নিজেদের দেশেই বহিরাগত ঘোষণা করা হয়েছে- এমন সব তীক্ষ্ণ প্রশ্নও বাণে বিদ্ধ করা হয়েছে গেরুয়া শিবিরকে।
তৃণমূলের দাবি, এসব ঘটনা বিজেপির ফ্যাসিবাদেরই নামান্তর, যেখানে রাষ্ট্রীয় মৌন সম্মতিতে সাধারণ মানুষের ওপর গুণ্ডাতন্ত্র নামিয়ে আনা হচ্ছে।
.@BJP4India’s “Double-Engine” rule has now spiralled into open-season lynch mobs against Bengalis. In Odisha, in broad daylight, innocent Bengali youth are being abused, and assaulted after being branded “Bangladeshi”.
In @narendramodi‘s ‘Amrit Kaal’, speaking Bengali itself has… pic.twitter.com/S29x8Og5Nj
— All India Trinamool Congress (@AITCofficial) January 23, 2026