টানা ৩ দিন বন্ধ থাকবে সোনারপুর এলাকার বাজার–দোকান, নির্দেশ জারি

প্রশাসন সূত্রে খবর, তবে ওষুধ এবং দুধের দোকান খোলা থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

June 26, 2021 | 2 min read

Authored By:

Drishti Bhongi Drishti Bhongi

ব্যারাকপুরের (Barrackpore) পর এবার সোনারপুর (Sonarpur)। দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজপুর–সোনারপুর পুরসভা এলাকার কোভিড আক্রান্তের (Covid Positive) সংখ্যা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে প্রশাসনের৷ এই বিষয়ে স্বয়ং হস্তক্ষেপ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ৷ জানা গিয়েছে, তিনি জেলাশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন অবিলম্বে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে৷ তখন প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয় বাজার কমিটিগুলিকে নিয়ে বৈঠক করা হয়৷ সেখানেই সিদ্ধান্ত হয়েছে আগামী সোমবার থেকে তিনদিন রাজপুর–সোনারপুর এলাকায় সমস্ত দোকানপাট ও বাজার বন্ধ থাকবে৷ এই একই ঘটনা ঘটেছিল ব্যারাকপুরেও।

প্রশাসন সূত্রে খবর, তবে ওষুধ এবং দুধের দোকান খোলা থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এই বিষয়ে আজ থেকে প্রশাসন ও পুরসভার পক্ষ থেকে শুরু করা হয়েছে প্রচার৷ যাতে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এলাকার মানুষজন কিনে রাখতে পারেন৷ বৄহস্পতিবার ও শুক্রবার মাসের ১ ও ২ তারিখ হওযায় বাজার খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে৷ সেক্ষেত্রে শুক্রবার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে৷

পুরসভা সূত্রে খবর, প্রত্যেকদিন গড়ে ২৫ জনের বেশি কোভিডে আক্রান্ত হচ্ছেন এখানে৷ এই সংখ্যা উদ্বেগ বাড়িয়েছে৷ তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পুরসভার পক্ষ থেকে রোজ ৫ হাজার করে বাসিন্দা ভ্যাকসিন পাচ্ছেন৷ উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই ১৬ জেলায় ২৫১টি মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল প্রশাসন।

এদিকে সংক্রমিত এলাকায় ভ্যাকসিনেশন, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এলাকায় সুরক্ষা বিধি অত্যন্ত কড়াকড়ি করা হয়েছে। বাধ্যতামূলক করা হয়েছে মাস্ক পরা। প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে বেরোনোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কয়েকদিন আগে উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর পুর এলাকার সমস্ত বাজার এক সপ্তাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল প্রশাসন।

অন্যদিকে কয়েকদিন আগে বাঁকুড়া শহরেও কনটেইনমেন্ট জোন হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছিল। তার মধ্যে ছিল হরশ্বর মেলা, অরবিন্দ নগর, খ্রিষ্টানডাঙ্গা এবং প্রতাপবাগান। স্যানিটাইজ করা হয় ওই এলাকা। কনটেইনমেন্ট জোনে মোতায়েন করা হয় পুলিশ। সংক্রমিতদের বাড়িতে খাদ্যদ্রব্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় রাজ্যজুড়ে কার্যত লকডাউন জারি করে সরকার। এখন কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে।

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

ভিডিও

আরও পড়ুন

Decorative Ring
Maa Ashchen