ভোটের মুখে আর্টিকল ৩৭০, ম্যায় অটল হুঁ, স্বতন্ত্র বীর সাভারকরের মুক্তি! 360° প্রচারে BJP
ফিল্মের মাধ্যমে বহু মানুষের কাছে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায়, তাই সিনেমাকে প্রচারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে বিজেপি।
Authored By:

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি: ফিল্মের মাধ্যমে বহু মানুষের কাছে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায়, তাই সিনেমাকে প্রচারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে বিজেপি। লোকসভা ভোটের আগে বিজেপিকে অক্সিজেন দেয় এমন ছবি মুক্তির হিড়িক লেগে যায়। ভোটের মুখে একে একে মুক্তি পেয়েছে আর্টিকল ৩৭০, ম্যায় অটল হুঁ। মুক্তি পাওয়া বাকি স্বতন্ত্র বীর সাভারকরের মতো সিনেমা। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জীবনীমূলক ‘পিএম নরেন্দ্র মোদী’ নামের একটি সিনেমা মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। সিনেমাটির বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে মামলা হয়েছিল। ভোটের আগে সিনেমার নামে মোদীর মহিমা প্রচার করা হবে বলে অভিযোগ ওঠে। শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন আদর্শ আচরণবিধির যুক্তি দিয়ে বাধা দেওয়ায় ভোট পেরিয়ে সেই ছবি মুক্তি পেয়েছিল। সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের আগে মনমোহন সিংহ সরকারের দোষ-ত্রুটি, খামতি নিয়ে ‘দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’ মুক্তি পায়।
২০২৪-র লোকসভা ভোটের প্রাক্কালে মুক্তি পেয়েছে ‘আর্টিকল ৩৭০’। জম্মুতে গিয়ে খোদ মোদী বলে এসেছেন, আর্টিকল ৩৭০ থেকে মানুষ সঠিক তথ্য পাবেন। প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ছবি বানানো হচ্ছে প্রোপাগান্ডা ছড়াতে?
মোদী এর আগেও দাবি করেছেন, ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’, ‘কেরালা স্টোরি’র মতো ছবিতে সঠিক তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
বিভিন্ন রাজ্যে ছবির করও ছেড়ে দেয় বিজেপি সরকার। অর্থাৎ বিজেপি তথা সঙ্ঘের মুখপত্র হয়ে উঠছে ছবিগুলো? ‘উরি: দ্য সার্জিকাল স্ট্রাইক’-র মতো সিনেমা মোদী সরকারের বীরত্বের কাহিনি তুলে ধরেছে, কৌশলে মোদীর মহিমা প্রচার হয়েছে। ফলে সিনেমার সঙ্গে ক্রমশ বিজেপির প্রোপাগান্ডা প্রচারের যোগ প্রকট হচ্ছে।