মরশুমের শেষবেলায় কিছুটা কমল আমের দাম
মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রায় সাড়ে ২৩ হাজার হেক্টর জমিতে ২০০ প্রজাতির আমের চাষ হয়। উদ্যানপালন দপ্তরের হিসেবে এবার আমের অফ ইয়ার ছিল
Authored By:

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি: মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রায় সাড়ে ২৩ হাজার হেক্টর জমিতে ২০০ প্রজাতির আমের চাষ হয়। উদ্যানপালন দপ্তরের হিসেবে এবার আমের অফ ইয়ার ছিল। ফলে এবার জেলায় আমের ফলন স্বাভাবিকের থেকে অনেক কম হয়েছে। শুরু থেকেই হিমসাগরের দাম ৮০-১০০ টাকার ঘোরাফেরা করেছে। এমনকী ভালোমানের হিমসাগর ১৪০ থেকে ১৫০টাকাও উঠে যায়। আম্রপালি ১০০-১২০ টাকা, ল্যাংড়া ১২০-১৪০ টাকা, লক্ষ্মণভোগ ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। সাধারণত মধ্যবিত্ত পরিবার সস্তার হিমসাগরের দিকেই চেয়ে থাকেন। সেই আমও এবার সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিল।
তবে মরশুমের শেষবেলায় বেশ কয়েকটি প্রজাতির আমের দাম অনেকটাই কমল। দাম নাগালের মধ্যে চলে আসায় মধ্যবিত্ত পরিবারের মুখে হাসি ফুটেছে। দাম কমার তালিকায় রয়েছে হিমসাগর(সাদুল্লা), ল্যাংড়া, আম্রপালি, লক্ষ্মণভোগ। এই চার প্রজাতির আম কিছুদিন আগেও কেজি প্রতি একশো টাকা বা তার বেশি দামে কিনতে হয়েছে। গত দু’দিন ধরে বহরমপুরের বিভিন্ন ফলের বাজারে ৪০-৬০ টাকা কেজিতে এই চার প্রজাতির আম মিলছে। তবে কদিন এই দাম থাকবে তার নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারেনি। দাম কমায় প্রতিটি মধ্যবিত্ত পরিবারই আপাতত ঝোলা ভর্তি আম কিনছে। দিনকয়েক পর রথযাত্রা উৎসব। রথযাত্রায় আম ও কাঁঠালের চাহিদা বাড়ে। তাই রথে ফের দাম বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ফল ব্যবসায়ীরা।