EPFO-র বেতন সীমা বৃদ্ধিতে ডেডলাইন! কেন্দ্রকে ৪ মাসের সময় দিল সুপ্রিম কোর্ট

January 5, 2026 | 2 min read

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি, ২১:২৫: কর্মচারী ভবিষ্যনিধি প্রকল্পের (ইপিএফ) আওতায় আসার জন্য বেতনের ঊর্ধ্বসীমা বা ‘ওয়েজ সিলিং’ কি বাড়ানো হবে? দীর্ঘদিনের এই জল্পনার অবসান ঘটাতে এবার কেন্দ্রীয় সরকারকে সময়সীমা বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট। পিএফের (PF) মজুরির সীমা সংশোধনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য কেন্দ্রকে চার মাসের সময় দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

সোমবার বিচারপতি জে কে মহেশ্বরী এবং বিচারপতি এ এস চান্দুরকরের ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। নবীন প্রকাশ নৌটিয়াল নামক এক ব্যক্তির দায়ের করা আবেদনের শুনানিতেই আদালত এই রায় ঘোষণা করে।

কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রকের অধীনস্থ এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন বা ইপিএফও-র বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, বেসরকারি সংস্থার কোনও কর্মীর মূল বেতন (বেসিক পে) মাসে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হলে, তাঁকে বাধ্যতামূলকভাবে ইপিএফ স্কিমের (EPF scheme) আওতায় আনতে হয়। ২০১৪ সালে শেষবার এই সীমা সংশোধন করা হয়েছিল। অর্থাৎ, গত ১১ বছর ধরে ১৫ হাজার টাকার এই ঊর্ধ্বসীমা অপরিবর্তিত রয়েছে। গত কয়েক বছর ধরেই জল্পনা চলছে যে, মোদী সরকার এই সীমা ১৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ২১ হাজার টাকা করতে পারে। কিন্তু বাস্তবে তা এখনও কার্যকর হয়নি।

আদালতে আবেদনকারীর পক্ষ থেকে আইনজীবী প্রণব সচদেব এবং নেহা রাঠি যুক্তি দেন যে, বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিভিন্ন রাজ্য সরকার দ্বারা ঘোষিত ন্যূনতম মজুরিই মাসে ১৫ হাজার টাকার বেশি। অথচ ইপিএফও-র মজুরিসীমা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সেই ১৫ হাজার টাকাতেই আটকে আছে। আইনজীবীদের অভিযোগ, এর ফলে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক ও কর্মচারী ইপিএফও-র মতো গুরুত্বপূর্ণ সমাজকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা ও সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাঁরা এই বঞ্চনা দূর করতে অবিলম্বে মজুরির সীমা সংশোধনের আর্জি জানান।

শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) নির্দেশ দেয়, আগামী চার মাসের মধ্যে কেন্দ্রকে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে হবে। আদালতের এই নির্দেশের ফলে দেশের লক্ষ লক্ষ বেসরকারী কর্মচারী এখন তাকিয়ে আছেন কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের দিকে। মজুরির ঊর্ধ্বসীমা বাড়লে বহু নতুন কর্মচারী পিএফ এবং পেনশন প্রকল্পের আওতায় আসতে পারবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

ভিডিও

আরও পড়ুন

Decorative Ring
Maa Ashchen