স্বাধীনতার আগে থেকে বসবাস, তবুও দিতে হবে প্রমাণ! SIR শুনানিতে ডাক পেয়ে ক্ষুব্ধ সাংসদ সামিরুল

January 15, 2026 | 2 min read

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি, ১৫:১৫: সাধারণ মানুষ তো বটেই, SIR শুনানির হয়রানি থেকে রেহাই পাচ্ছেন না VVIP-রাও। কবি জয় গোস্বামী, অভিনেতা দেবের পর এবার নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে ডাক পেলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম (Samirul Islam)। স্বাধীনতার আগে থেকে রামপুরহাটে তাঁর পরিবারের বসবাস। তা সত্ত্বেও নথিপত্র যাচাইয়ের জন্য সাংসদকে সশরীরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। কমিশনের এই তলবে স্বাভাবিকভাবেই বিরক্তি প্রকাশ করেছেন সাংসদ।

সূত্রের খবর, আগামী ১৯ জানুয়ারি অর্থাৎ আগামী সোমবার সকাল ১১টায় তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। নোটিস অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ে তাঁকে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের দপ্তরে উপস্থিত হয়ে নথিপত্র যাচাই করাতে হবে। সাংসদ ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, সামিরুল ইসলামের পরিবার এই এলাকার আদি বাসিন্দা। স্বাধীনতার আগে থেকেই রামপুরহাটে তাঁদের বাস। তবুও ভোটার তালিকার শুনানিতে তাঁকে কেন তলব করা হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

গত অক্টোবর মাসে রাজ্যে এসআইআর বা বিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধনী কর্মসূচির ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (Election Commission Of India)। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর বর্তমানে চলছে শুনানি পর্ব। অভিযোগ, নথিপত্রে সামান্য বা নগণ্য গরমিল থাকলেও সাধারণ মানুষকে তলব করা হচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে বৃদ্ধ ও অসুস্থদের। বাদ যাচ্ছেন না বিশিষ্টজনেরাও। ইতিমধ্যেই শুনানিতে ডাক পেয়েছেন সাংসদ-অভিনেতা দেব, কবি জয় গোস্বামী, ক্রিকেটার মহম্মদ শামি, লক্ষ্মীরতন শুক্লা সহ বহু তারকা।

গত বুধবারই শুনানিতে হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন ঘাটালের সাংসদ তথা অভিনেতা দেব (Dev)। অফিস থেকে বেরিয়ে তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে সাধারণ মানুষের কথা ভেবে প্রক্রিয়াটি আরও একটু মানবিক করা হয়।

অন্যদিকে, এই গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। তাদের অভিযোগ, পরিকল্পনামাফিক সাধারণ মানুষকে হেনস্তা করা হচ্ছে। এই ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) একাধিকবার সরব হয়েছেন। বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষদের ক্ষেত্রে বাড়িতে গিয়ে যাতে হিয়ারিং বা শুনানি করা হয়। সেই দাবি জানিয়ে তিনি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে (Gyanesh Kumar) চিঠিও লিখেছিলেন। কিন্তু রাজ্যের সেই আবেদনে এখনও পর্যন্ত কমিশনের তরফে কোনও ইতিবাচক পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

ভিডিও

আরও পড়ুন

Decorative Ring
Maa Ashchen