বাড়ছে বারলা গোষ্ঠীর চাপ, আলিপুরদুয়ারের অঙ্ক কঠিন হচ্ছে BJP-র জন্য?

বিজেপি যদি সংগঠনের তোলা দাবিগুলি মেনে নেয় তবে ভোটে পাশে থাকবেন। নয়ত, অন্য কিছু ভাবতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

March 24, 2024 | 2 min read

Authored By:

Drishti Bhongi Drishti Bhongi
বাড়ছে বারলা গোষ্ঠীর চাপ, আলিপুরদুয়ারের অঙ্ক কঠিন হচ্ছে BJP-র জন্য?

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি: আলিপুরদুয়ারে মনোজ টিগ্গাকে টিকিট দিয়েছে বিজেপি, তারপর থেকেই রণং দেহি মেজাজে রয়েছে ওই কেন্দ্রের বিদায়ী সাংসদ তথা সংখ্যালঘুমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী জন বারলা। বিজেপি প্রার্থী মনোজের সম্পত্তি বৃদ্ধি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বিজেপি প্রার্থী ইতিমধ্যেই আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) কেন্দ্রের সাত বিধানসভায় এক দফা করে প্রচার সেরে ফেলেছেন। আলুপুরদুয়ারের বর্তমান সাংসদ জন বারলাকে (John Barla) তাঁর সঙ্গে দেখা যায়নি। তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। কিন্তু মন্ত্রীর অনুগামীরা চাপ তৈরির চেষ্টায় নেমে পড়েছেন।

চা শ্রমিক সংগঠন ভারতীয় টি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের (Indian Tea Workers Union) দাবি, বারলাকে ভাল কোনও পদ দিতে হবে। চা শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি, অবসরের বয়স বাড়িয়ে ৬০ বছর করা, শ্রমিকদের বকেয়া পিএফ মালিকদের কাছ থেকে আদায়, ইত্যাদি প্রতিশ্রুতির ইস্যুগুলিকে নির্বাচনি ইস্তাহারে রাখতে হবে বলে বিজেপির কাছে দাবি জানিয়েছে তাঁরা। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রহেন মিঞ্জের কথায়, দাবিদাওয়ার কথা তুলে ধরতে জন বারলা কোনও নির্দেশ দেননি। তবে তাঁকে টিকিট না দেওয়ায় শ্রমিকরা মর্মাহত হয়েছে তা হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া যাচ্ছে। তাই বাধ্য হয়েই তাঁদের পদক্ষেপ করতে হচ্ছে। বিজেপি যদি সংগঠনের তোলা দাবিগুলি মেনে নেয় তবে ভোটে পাশে থাকবেন। নয়ত, অন্য কিছু ভাবতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

ভারতীয় টি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের এহেন অবস্থানে আলিপুরদুয়ারে বিজেপি (BJP) বেকায়দায় পড়তে পারে, এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের। আলিপুরদুয়ার চা বাগান অধ্যুষিত এলাকা। সাতটি বিধানসভার মধ্যে তুফানগঞ্জ ছাড়া আলিপুরদুয়ার, কুমারগ্রাম, কালচিনি, মাদারিহাট, ফালাকাটা ও নাগরাকাটায় চা বাগান রয়েছে। পাঁচটি বিধানসভা রীতিমতো চায়ের কোর এলাকা। সবক’টি বাগানেই চা শ্রমিক সংগঠনের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে।

মনোজ জানিয়েছেন, বিটিডব্লিউইউয়ের সমস্ত দাবিদাওয়ার যাতে নির্বাচনি ইস্তাহারে ঠাঁই পায় সেজন্য ইতিমধ্যেই দলের রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে। কিন্তু রহেনের বক্তব্য, কেবল মুখে বললেই হবে না। বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না তা তাঁরা দেখে নিতে চান।

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

ভিডিও

আরও পড়ুন

Decorative Ring
Maa Ashchen