মোদী-শাহের সভার জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পাঠানো টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ বঙ্গ BJP-র নেতাদের বিরুদ্ধে?

সংগঠনের দায়িত্বে থাকা গুটিকয়েক পদ্ম নেতার মাধ্যমে ওই বিপুল পরিমাণ অর্থ বিলি করা হয়েছিল।

June 21, 2024 | 2 min read

Authored By:

Drishti Bhongi Drishti Bhongi

নিউজ ডেস্ক,দৃষ্টিভঙ্গি: লোকসভা ভোটে পরাজয়ের পরই বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছিলেন কৃষ্ণনগরের বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়, একই সুর বঙ্গ বিজেপির একাধিক জয়ী এবং পরাজিত প্রার্থীদের গলাতেও। সদ্য সমাপ্ত লোকসভা ভোটের প্রচারে বাংলায় ২৩টি জনসভা করেছেন মোদী। খাস কলকাতার বুকে মেগা রোড-শোও করেছিলেন। তাতে খরচ হয়েছে মোট ২০ কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পাঠানো বিপুল পরিমাণ অর্থ নয়ছয় করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে। বঙ্গ বিজেপির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের দিকে অভিযোগের তীর। রাজ্যকে দেওয়া টাকার হিসেব নিতে বুধবার কলকাতায় এসেছিল দিল্লির প্রতিনিধি দল। সেখানে বোমা ফাটিয়েছেন কয়েকজন সাংসদ।

গেরুয়া শিবিরের এক নেতার দাবি, গত ২০ মে তমলুকে নরেন্দ্র মোদীর সভা ছিল। আবহাওয়া প্রতিকূলতার কারণে, তিনি সভাস্থলে পৌঁছতে পারেননি। তমলুকের সেই ভার্চুয়াল সভাতেও নাকি ৮৪ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে! সম্প্রতি ওই সভার জন্য রাজ্য নেতৃত্বের কাছে বাড়তি ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন এক প্রভাবশালী নেতা। সশরীরে না গেলেও, প্রধানমন্ত্রীর ওই সভার জন্য প্রায় ১ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। জানা যাচ্ছে, রাজ্য বিজেপি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, আর টাকা দেওয়া যাবে না।

সংগঠনের দায়িত্বে থাকা গুটিকয়েক পদ্ম নেতার মাধ্যমে ওই বিপুল পরিমাণ অর্থ বিলি করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিটি সভার জন্য বরাদ্দ ছিল গড়ে ৭৫ লক্ষ টাকা। কয়েকটি লোকসভা কেন্দ্রের জন্য বাড়তি অর্থও দেওয়া হয়। সিংহভাগ ব্যয় করার কথা ছিল সভাস্থলের প্যান্ডেল, দর্শক ছাউনি তৈরি, লোক নিয়ে আসা ও খাওয়া-দাওয়ায়। কয়েকজন সাংসদ জানিয়েছেন, টাকা চুরি হয়েছে। রাজ্যের পাশাপাশি জেলা নেতৃত্বের একটা অংশ এতে জড়িত। টাকার সিংহভাগই পাঠানো হয়েছিল জেলা নেতৃত্বকে, ক্লাস্টার-ইনচার্জরা দায়িত্বে ছিলেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রার্থীদের অন্ধকারে রেখে টাকা খরচ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সভার টাকা চুরির ঘটনা বঙ্গ বিজেপিতে নয়া অস্বস্তি তৈরি করেছে।

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

ভিডিও

আরও পড়ুন

Decorative Ring
Maa Ashchen