GST কমানোর ফল পাচ্ছেন না জনসাধারণ: লক্ষ্মীপুজোর আগেও আকাশছোঁয়া চাল, ডাল, তেলের দাম
Authored By:

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি, ১৩:৩০: উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, বিহার হরিয়ানা এবং পাহাড়ি তিন রাজ্যে জুলাই থেকে টানা বর্ষণের কারণে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে গিয়েছে। পাইকারি ব্যবসায়ী ও সরবরাহকারীরা এক ধাক্কায় চাল-ডাল, তেল, সবজি ও ফলমূলের দাম বাড়িয়েছেন। লক্ষ্মীপুজোর আগে উৎসবের মরশুমে সাধারণ মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলি আবার দিশাহীন হয়ে পড়েছেন। দশমীর পর মানুষ এবার লক্ষ্মীপুজোর বাজারে যেতে শুরু করেছেন, কিন্তু বিগত ৪৮ ঘণ্টার বাজারের পরিস্থিতি তাদের আনন্দ মাটি করে দিচ্ছে।
ফুল, ফল, সবজি, চাল-ডাল থেকে শুরু করে তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষ এখন প্রবল চাপে। নবরাত্রির পর আমিষ খাদ্যের দামও বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রী আগেই ঘোষণা করেছিলেন, এবার উৎসবে জিএসটি কমানোর সুবিধা পাবেন মানুষ। কিন্তু সেই স্লোগান ম্লান হয়ে গিয়েছে, কারণ বাজারে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছে না। এতে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের Reserve Bank of India) আশঙ্কাই সত্যি হল, যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম জিএসটি কমিয়েও কমানো যাবেনা।
মোদী সরকার জানিয়েছে, অতিবর্ষণে বহু ফসল নষ্ট হয়েছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, পরিবহণ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় সময়মতো পণ্য সরবরাহ হয়নি। জলাবদ্ধ রাস্তা ও স্টোরেজ সমস্যার কারণে পেঁয়াজ ও টমেটোর মতো সবজির দাম প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে। জম্মু, হিমাচল, উত্তরাখণ্ড থেকে সাপ্লাই বাধা পাওয়ায় দেশের শহরাঞ্চলে কৃষি পণ্যের প্রায় ৭৫ শতাংশ গ্রামীণ এলাকা থেকে আসে, সেটি এখন বিপর্যস্ত।
নবরাত্রির সময় তুলনামূলকভাবে আমিষ খাদ্যের দাম স্থিতিশীল ছিল। কিন্তু এরপরই ডিম, মাছ ও মাংসের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নীতি নির্ধারণ কমিটি সম্প্রতি রেপো রেট কমায়নি, কারণ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে আসতে সময় লাগবে। ফলে সাধারণ মানুষ এখন খাদ্যপণ্যের ব্যয় বাড়া নিয়ে জর্জরিত।