বেলডাঙায় অ্যাকশন মোডে পুলিশ, শুরু ধরপাকড়, পরিস্থিতি পুরোটাই এখন নিয়ন্ত্রণে
নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি, ১৫:৪৫: বেলডাঙাকে বাগে আনতে দাবাং মোডে পুলিশ। অবরোধকারীদের ইতিমধ্যেই হঠিয়ে দিয়েছে পুলিশ। ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে এখন স্বাভাবিক যান চলাচল। ইতিমধ্যেই ২২ জনকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। এখন রেলপথ ও সড়কপথ অবরোধ মুক্ত।
বেলডাঙায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশাল পুলিশ বাহিনী, র্যাফ রাস্তায় নেমেছে। বিক্ষোভকারীদের সরাতে লাঠিও চার্জ করা হয়। অভিযোগ, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাথর বিক্ষোভকারীদের তরফে ছোড়া হয়। শুক্রবারের পর শনিবারেও রেললাইন অবরোধ করে রাখায় লালগোলা শাখায় ট্রেম চলাচল ব্যাহত হয়। অবরোধকারীদের সরাতে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য, ঝাড়খণ্ডে আলাউদ্দিন শেখের হত্যার খবর পাওয়ার পরই শুক্রবার বিক্ষোভ শুরু হয় বেলডাঙায়। রেল অবরোধের ফলে শিয়ালদহ-লালগোলা শাখায় ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়। ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় উত্তেজিত জনতা। ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক বন্ধ থাকায় কলকাতা-উত্তরবঙ্গগামী যান চলাচলে সমস্যা হয়। অর্থসাহায্য এবং চাকরির প্রতিশ্রুতিতে কয়েক ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেন স্থানীয়রা। আজ, শনিবার ফের বেলডাঙায় বিক্ষোভ আরম্ভ হয়। বড়ুয়া মোড়ে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে স্থানীয়রা। জাতীয় সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। অবরোধকারীদের দাবি, শুক্রবার বিহারের ছাপরা এলাকায় পরিযায়ী শ্রমিক আনিসুর শেখকে বাংলাদেশি সন্দেহে হেনস্থা করা হয়। মারধরের জেরে ওই পরিযায়ী শ্রমিকের বুকের হাড় ভেঙে যায়। খবর গ্রামে পৌঁছতেই গ্রামবাসীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। আহত পরিযায়ী শ্রমিক গ্রামে ফিরলে আ্যম্বুল্যান্স করে তাঁকেও অবরোধস্থলে আনা হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশাল পুলিশ নেমেছে বেলডাঙায়। বিক্ষোভকারীদের উপর একাধিক জায়গায় লাঠিচার্জ করা হয়। জাতীয় সড়ক ও রেলপথ অবরোধমুক্ত করতে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া করা হয়। বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার বিকেল পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।