SIR in Bengal: নাম সংযোজন ও বিয়োজনের বর্ধিত মেয়াদে কত আবেদন জমা পড়ল?

January 20, 2026 | 2 min read

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি, ০৯:৩০: খসড়া তালিকা প্রকাশের পর আপত্তি ও অভিযোগ জানানোর সময় দেওয়া হয়েছিল এক মাস অর্থাৎ ১৫ জানুয়ারি অবধি। সেই সময়সীমা বাড়ায় কমিশন। নাম সংযোজন ও বিয়োজনের সময়সীমা পাঁচদিন বাড়িয়েছিল কমিশন। মাত্র পাঁচদিনে জমা পড়ল দু’লক্ষেরও বেশি নাম তোলার আবেদন। সব মিলিয়ে ১৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯ ডিসেম্বর অর্থাৎ শেষদিন পর্যন্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে আবেদন জমা পড়েছে মোট ৫,৮৫,৯৫১টি (৬ নম্বর ফর্ম)। এছাড়া তালিকা থেকে নাম বাদ দিতে শেষদিন পর্যন্ত আবেদন জমা পড়েছে মোট ৪১,৯৬১টি (৭ নম্বর ফর্ম)।

জমা পড়া ৬ নম্বর ফর্ম খতিয়ে দেখে তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি করা হবে। ৭ নম্বর ফর্ম এবং তাঁর সঙ্গে জমা পড়া সমস্ত নথি খতিয়ে দেখার পর আবেদনকারীকে শুনানির জন্য ডাকা হবে। তারপর নাম বাদ দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া শুরুর আগে তালিকায় নাম তুলতে ৩,৩১,৭৫টি ফর্ম জমা পড়েছিল। চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে সব মিলিয়ে ৯ লক্ষ ১৭ হাজার ২৬টি ফর্ম জমা পড়ল। সব মিলিয়ে জমা পড়া ৭ নম্বর ফর্মের সংখ্যা ৯৮ হাজার ৮২৮।

সন্দেহজনক বা তথ্যের অসংগতি থাকা ভোটারদের ক্ষেত্রে শুনানিতে কেবল ২০০২ সালের রোলের নথি দেখলেই হবে। তা আপলোড করতে হবে। নির্বাচন কমিশন জেলায় জেলায় এমনই নির্দেশ দিয়েছে। ভোটারদের আর অন্য নথি দেখানোর প্রয়োজন নেই। কমিশন যেভাবে পদে পদে সিদ্ধান্ত বদল করেছে তাতে জেলা নির্বাচনী অধিকারিকেরাও চিন্তিত। বিভ্রান্ত।
নির্বাচনী অধিকারিকেরা জানাচ্ছেন, আপাতত রোলের কপি আপলোড করা হচ্ছে। সঙ্গে ভোটারদের অন্যান্য নথিও রাখা হচ্ছে। কমিশন যদি পরে ভোটারদের অন্য নথি চায়, সেক্ষেত্রে ওই নথি আপলোড করে দেওয়া হবে। ভোটারদের আর শুনানি কেন্দ্রে আসতে হবে না। শুনানির পর যদি ERO-দের মনে হয়, সংশ্লিষ্ট ভোটারের সব নথি ঠিক আছে, তাহলে তিনি আর জেলাশাসকের লগইন আইডিতে সেসব পাঠাবেন না। সরাসরি আপলোড করে দেবেন। ইআরও নেটে এই অপশন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এতে গোটা দায় বর্তাবে ERO-দের উপর।

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

ভিডিও

আরও পড়ুন

Decorative Ring
Maa Ashchen