তৃণমূল বিধায়ককে ফেসবুকে খুনের হুমকি, চাঞ্চল্য

গেরুয়া শিবিরের নেতাদের দাবি, তাঁরা খুন, জখমের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না।

August 12, 2020 | 2 min read

Authored By:

Drishti Bhongi Drishti Bhongi

মেখলিগঞ্জের বিধায়ক তৃণমূল কংগ্রেসের অর্ঘ্য রায়প্রধানকে ফেসবুকে বার্তা দিয়ে গুলি করে খুন করার হুমকির অভিযোগ উঠেছে এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে। ওই ঘটনায় হলদিবাড়ি ও কোচবিহার থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযুক্ত ওই নেতা হলদিবাড়িতে বিজেপির সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন বলে তৃণমূলের দাবি। এ ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। পুলিস সাইবার সেলের মাধ্যমে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে ওই ঘটনার সঙ্গে তাদের কেউ জড়িত নন বলে দাবি করা হয়েছে। গেরুয়া শিবিরের নেতাদের দাবি, তাঁরা খুন, জখমের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না।

এদিকে তৃণমূলের দাবি, ফেসবুকে ওই বিজেপি নেতা অর্ঘ্যবাবুকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন, ‘তোকে ওপেন চ্যালেঞ্জ করলাম। আমি গুলি করে মারব তোকে। তুই কিছু করতে পারলে তার আগে করে নে।’ এ প্রসঙ্গে অর্ঘ্যবাবু বলেন, বিজেপির হলদিবাড়ি ব্লকের দক্ষিণ মণ্ডলের এক পদাধিকারী আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেছেন, তিনি আমাকে গুলি করে মারবেন। আমি কোভিড নিয়ে ব্যস্ত রয়েছি। বিষয়টি তাই লক্ষ্য করিনি। দলীয় কর্মীরাই সেটা দেখেছেন। এরপর দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী এর বিরুদ্ধে হলদিবাড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। বেশ কয়েকটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। মঙ্গলবার কোচবিহারেও এ বিষয়ে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আমি বিষয়টি আমাদের দলের জেলা সভাপতিকেও জানিয়েছি। আমি ভীত সন্ত্রস্ত্র নই। আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী। ওদের নেতৃত্ব দিল্লিতে বসে যদি লাগামহীন ভাষা ব্যবহার করেন, তবে তার প্রতিফলন যে এদিকেও হবে এটাই স্বাভাবিক।

কোচবিহারের বিজেপির জেলা সভানেত্রী মালতী রাভা রায় বলেন, শুনেছি ওই ঘটনায় তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আইন আইনের পথে চলবে। ফেসবুকে কেউ এমনভাবে লিখতে পারেন না। পুলিসই বিষয়টি তদন্ত করে দেখুক। বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি বাপি গোস্বামীর সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে এদিন দুপুরের পর থেকে তাঁর ফোন স্যুইচ অফ পাওয়া যায়। কোচবিহারের অতিরিক্ত পুলিস সুপার মহম্মদ সানা আখতার বলেন, হলদিবাড়ির ঘটনায় পুলিস সাইবার সেলের মাধ্যমে তদন্ত শুরু করেছে।

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

ভিডিও

আরও পড়ুন

Decorative Ring
Maa Ashchen