ডবল ইঞ্জিন দিল্লিতে দশ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ, সরব অভিষেক
নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি, ১০:৪০: আবারও মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী থাকল দেশের রাজধানী। মধ্য দিল্লির ট্রাফিক সিগন্যালে এক নাবালিকা গোলাপ বিক্রি করত। অভিযোগ, বছর দশ বয়সের মেয়েটিকে অপহরণ করে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণে করেন এক ই-রিকশা চালক। তারপর নির্যাতিতাকে অচৈতন্য অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যান অভিযুক্ত। বিভিন্ন রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে একটি লাল রঙের রিকশা শনাক্ত করে পুলিশ। মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ধৃত ওই রিকশা চালক উত্তরপ্রদেশের ফারুকাবাদের বাসিন্দা।
জানা গিয়েছে, গত ১০ জানুয়ারি প্রসাদ নগরে নাবালিকাকে গোলাপ বিক্রি করতে দেখতে পান অভিযুক্ত রিকশা চালক। এর পর বিলকাপুর নামক এক জায়াগায় চা খাওয়ানোর নাম করে নাবালিকাকে নিয়ে যান তিনি। পুলিশি তদন্তে নির্যাতিতা জানিয়েছে, অভিযুক্ত জঙ্গলে নিয়ে গিয়েছিলেন তাকে। সেখানে একটি ঘরে তাকে ধর্ষণ করা হয়। রক্তাক্ত ও অচৈতন্য আবস্থায় থাকা নাবালিকাকে মৃত ভেবে সেখানে থেকে পালিয়ে যান অভিযুক্ত। জ্ঞান ফিরলে নাবালিকা বাড়ি ফিরে আসে কোনওক্রমে। পরিবারের সদস্যরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। থানাতেও অভিযোগ জানানো হয়। নির্যাতিতার বয়ান শুনে পকসো ধারায় মামলা দায়ের করে পুলিশ।
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এই ঘটনায় তীব্র আক্রমণ করেছেন দিল্লি সরকারকে। বিজেপিকে আক্রমণ শানিয়ে সমাজ মাধ্যমে তিনি লিখছেন, যে সরকার মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না, বিশুদ্ধ বাতাস ও জল দিতে পারে না, বা প্রাণঘাতী বিস্ফোরণ আটকাতে পারে না, তাদের বাংলায় ভোট চাওয়ার কোনও নৈতিক অধিকার নেই। তিনি আরও লেখেন, ‘‘ভারতবর্ষে ধর্ষণের রাজধানী হিসাবে দিল্লি তার মর্যাদা বজায় রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বাংলায় সফরে এসে যে ‘পরিবর্তনের’ কথা বলছেন, তা করা উচিত বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলি থেকেই।’’