আজ চন্দননগরে জগদ্ধাত্রী পুজোর ঐতিহ্যবাহী শোভাযাত্রা ঘিরে সাজ সাজ রব

শুধুমাত্র এই শোভাযাত্রা দেখার জন্যই কাতারে কাতারে মানুষ ভিড় করেন চন্দননগরে।

November 11, 2024 | < 1 min read

Authored By:

Drishti Bhongi Drishti Bhongi

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি: চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো যেমন বিখ্যাত, ঠিক তেমনই জনপ্রিয় তার বিসর্জনের শোভাযাত্রা। এই পুজোর জন্য মানুষ যে রকম অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকেন, ঠিক সে ভাবেই অপেক্ষা করেন জমকালো শোভাযাত্রা দেখার জন্য।

শুধুমাত্র এই শোভাযাত্রা দেখার জন্যই কাতারে কাতারে মানুষ ভিড় করেন চন্দননগরে। কিন্তু সকলের পক্ষে বিভিন্ন কারণে যাওয়া সম্ভব হয় না।
সেই কারণেই এই প্রথম চন্দননগরের কেন্দ্রীয় কমিটি বিসর্জন শোভাযাত্রার সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করেছে। এই সম্প্রচার সমগ্র বিশ্ব দেখতে পাবে কমিটির ফেসবুক পেজ থেকে।

আজ, সোমবার চন্দননগরে জগদ্ধাত্রী পুজোর ঐতিহ্যবাহী শোভাযাত্রা হতে চলেছে। সে অনুষ্টান ঘিরে রবিবার রাত থেকেই শুরু হয়েছিল ব্যস্ততা। পুজো উদ্যোক্তা থেকে প্রশাসনের নাওয়া খাওয়ার সময় নেই। প্রহর গুনছে দর্শকরা। শোভাযাত্রায় আলোর ঝলকানি দেখতে শহরের বাইরে থেকে এসে অনেকে চন্দননগর লাগোয়া অঞ্চলে ডেরা বেঁধেছেন। প্রস্তুত শহরের রাস্তাগুলি। সোমবার সকাল থেকে বিকেল চন্দননগর ও ভদ্রেশ্বরে প্রতিমা নিরঞ্জন হবে। সন্ধ্যা থেকে ভোরবেলা পর্যন্ত আলো আর থিমের মায়া ছড়িয়ে থাকবে পথেঘাটে। এই শোভাযাত্রা শহরের ঐতিহ্য, আলোকশিল্পের বিপণনের মঞ্চই শুধু নয়, শহরবাসীর কাছে বিশেষ আবেগেরও অনুষ্টান।

বিরাট দেবী প্রতিমাকে নিয়ে আলোকসজ্জার বাহারি রঙ ছড়িয়ে উদ্যোক্তারা ভাসান দিতে যান। একাধিক লরিতে প্রতিমা এবং নানা ধরনের আলোকসজ্জার উপকরণ সাজানো থাকে। প্রায় প্রতিটি পুজো উদ্যোক্তা গড়ে চারটি করে লরি ব্যবহার করেন। সেখানে পুজোর থিমের পরে আবারও একবার আলোর থিম দেখানো হয়। রাতের শহরে দীর্ঘ পথ ধরে আলোকময় যাত্রার শোভা আক্ষরিক অর্থেই দ্রষ্টব্য।

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

ভিডিও

আরও পড়ুন

Decorative Ring
Maa Ashchen