বিশ্ববাংলা বাণিজ্য সম্মেলনের আগেই বাংলায় পাঁচটি শিল্প পার্ক গড়তে আগ্রহী রাজ্য সরকার

এই শিল্প পার্কগুলিতে প্রাচীর তৈরি করা দিয়ে শুরু করা হবে পার্ক নির্মাণের প্রাথমিক কাজ।

February 28, 2022 | 2 min read

Authored By:

Drishti Bhongi Drishti Bhongi
ছবি: প্রতীকী

দু’বছর পর বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন (বিজিবিএস) অনুষ্ঠিত হতে চলেছে রাজ্যে। অতিমারির কারণে ২০২০ ও ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গে এই বাণিজ্য সম্মেলন করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু এ বারের সম্মেলনেই গত দু’বছরের ঘটতি পূরণ করতে চাইছে রাজ্য সরকার। আর বাংলায় বিনিয়োগ টানতে উদ্যোগী হয়েছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারই ফলস্বরূপ, রাজ্যে পাঁচটি শিল্প পার্ক গড়ার কাজে গতি আনতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। সেই লক্ষ্যে বাণিজ্য সম্মেলনের আগেই রাজ্যে পাঁচটি শিল্প পার্কের পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজে হাত দিতে চায় রাজ্য। সম্প্রতি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এমপাওয়ারমেন্ট কমিটি-র বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি এ বিষয়ে জোর দিতে বলেছেন রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের। তার পরেই দায়িত্ব নিয়ে কাজ শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ ক্ষুদ্র শিল্প নিগম।

পাঁচটির মধ্যে তিনটি দক্ষিণবঙ্গে ও দু’টি উত্তরবঙ্গে নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিঙ্গুরে কৃষি-নির্ভর শিল্প পার্ক-সহ পাঁচটি প্রস্তাবিত শিল্পতালুকের পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ হাত দিয়েছে তারা। সিঙ্গুর ছাড়াও আরও চারটি প্রস্তাবিত শিল্প পার্কগুলি হল বোলপুর শিল্প পার্ক, বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটি শিল্প পার্ক, আলিপুরদুয়ারের ইথেলবাড়ি শিল্প পার্ক ও জয়গাঁও শিল্প পার্ক। ইতিমধ্যে পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজের জন্য টেন্ডার ডেকেছে রাজ্যের ক্ষুদ্র শিল্প নিগম। এক বছরের মধ্যে পাঁচটি শিল্প পার্কের পরিকাঠামো নির্মাণের কাজ শেষ করা হবে। এই শিল্প পার্কগুলি দেখিয়ে বিজিবিএস-এ বিনিয়োগ টানাই লক্ষ্য হবে মুখ্যমন্ত্রীর।

এই শিল্প পার্কগুলিতে প্রাচীর তৈরি করা দিয়ে শুরু করা হবে পার্ক নির্মাণের প্রাথমিক কাজ। তৈরি হবে প্রশাসনিক কার্যালয়, রাস্তা ও জল সরবরাহের পরিকাঠামোও। রাজ্যের এক আধিকারিকের দাবি, এই শিল্প পার্কগুলি গড়ে উঠলে কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। অন্য শিল্প পার্কের সঙ্গে সিঙ্গুরের শিল্প পার্কের কিছুটা হলেও পার্থক্য থাকবে বলে জানা গিয়েছে। মোট ১১.৮ একর‌ জমির উপর গড়ে উঠছে সিঙ্গুরের এই শিল্প পার্ক। এখানে মূলত গড়ে উঠবে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প। সিঙ্গুরের কৃষকদের উৎপাদিত সব্জি, ফল ও অন্যান্য ফসল সেখানে বিক্রি করা যাবে। ফলে এক দিকে যেমন কৃ্ষকেরা নিজের উৎপাদিত পণ্য বিক্রির সুযোগ পাবেন, তেমনই অন্য দিকে শিল্প ক্ষেত্রেও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের এক আধিকারিক।

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

ভিডিও

আরও পড়ুন

Decorative Ring
Maa Ashchen