উত্তরবঙ্গ বিভাগে ফিরে যান

বাঁধ ভেঙে প্লাবিত উত্তর দিনাজপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা

July 17, 2020 | 2 min read

কুলিক নদীর জলের তোড়ে বালিয়া সতীপুরা বাঁধ ভেঙে বানভাসি উত্তর দিনাজপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা। এদিন দুপুরে আচমকাই কুলিক নদীর জলের তোড়ে বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। রায়গঞ্জ থানার বিন্দোল গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তরা, বালিয়া, শেরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মুকুন্দপুর, হেমতাবাদ ব্লকের বিস্তীর্ণ কৃষিজমি জলের নিচে। বসতি এলাকাও প্লাবিত হয়েছে। এলাকার ঘর বাড়িতে জল ঢুকে পড়েছে। অনেক বাড়ির উঠোন জলে ভাসছে। নদীর জল উপচে সেতু ভেঙে যাওয়ায় গ্রামের যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

উত্তর দিনাজপুরের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় নারি ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী। এই ব্যাপারে জেলা প্রশাসনকে বন্যা পরিস্থিতিতে সতর্ক থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে জানান তিনি। উত্তর দিনাজপুরের কয়েকটি এলাকায় বাঁধ ভেঙে বন্যার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এদিকে নদীর জলে প্লাবিত ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা বিভিন্ন স্কুলে আশ্রয় নিয়েছে।

বিন্দোল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের স্বামী তথা তৃণমূল নেতা মনসুর আলী বলেন, বছর দুয়েক আগেই সেচ দপ্তরের কর্তাদের কুলিক নদীর বাঁধ নিয়ে ডেপুটেশন দেওয়া হয়। জানানো হয়েছিল জেলা প্রশাসনকে। বাঁধের অবস্থা ক্রমশ খারাপ হলেও সেচ দপ্তরের কর্তারা শুধুমাত্র পরিদর্শন করেছেন, কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তার দাবি, বিন্দোল গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার প্রায় ১০ হাজার মানুষ জলবন্দি অবস্থায় কাটাচ্ছে।

শেরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দিপালী বর্মন বলেন, ‘সমস্ত বিষয় রায়গঞ্জের বিডিওকে জানানো হয়েছে।’ যদিও স্থানীয় তৃণমূল নেতা তথা অঞ্চল সভাপতি সত্যেন বর্মণ বলেন, ‘বাঁধ ভেঙে শেরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের একাধিক গ্রাম জলমগ্ন হলেও প্রধান কাজের কাজ কিছুই করেনি। এখনও পর্যন্ত পঞ্চায়েতের তরফ থেকে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি প্রধান।’ রায়গঞ্জের বিডিও রাজু লামা বলেন, ‘বিন্দোল ও শেরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কয়েকটি গ্রাম জলমগ্ন হওয়ার খবর পেয়েছি। ব্লক প্রশাসনের তরফ থেকে পরিদর্শনে গিয়েছে।’

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

#north dinajpur, #Flood

আরো দেখুন