দেশ বিভাগে ফিরে যান

ফের শুরু অক্সফোর্ড টিকার ট্রায়াল, আশা যোগাচ্ছে ভারতীয় ভ্যাকসিনও

September 13, 2020 | 2 min read

ফের করোনার ভ্যাকসিন পরীক্ষার কাজ শুরু করল অ্যাস্ট্রোজেনেকা। শনিবার সংস্থার তরফে একথা জানানো হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, ব্রিটেনের মেডিসিন হেল্থ রেগুলেটরি অথরিটি (এমএইচআরএ) ট্রায়াল সংক্রান্ত সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখেছে। গোটা প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সুরক্ষিত বলে উল্লেখ করেছে তারা। তাদের ছাড়পত্র পেয়েই অক্সফোর্ডের করোনা ভাইরাস ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ফের শুরু করা হয়েছে।

গত বুধবার ব্রিটেনে টিকা নেওয়ার পর এক স্বেচ্ছাসেবক অসুস্থ হয়ে পড়েন। তারপরই ব্রিটেনে তাদের পরীক্ষা সাময়িকভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় অ্যাস্ট্রোজেনেকা। ভারতেও ট্রায়াল বন্ধ রাখা হয়। এরপরই সুরক্ষা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে যৌথভাবে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু করেছিল টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থা। অ্যাস্ট্রোজেনেকার দাবি, সেই তদন্ত শেষ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কমিটি ব্রিটেনের ট্রায়াল সম্পূর্ণ সুরক্ষিত ও নিরাপদ বলে এমএইচআরকে সুপারিশ করেছে।

এদিকে, দেশীয় ভ্যাকসিনের ট্রায়ালে বড় সাফল্য। বাঁদরের শরীরে কাজ করছে কোভ্যাক্সিন। সংশ্লিষ্ট প্রাণীর দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহু গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে এই টিকা। শনিবার ট্যুইট করে এমনটাই জানিয়েছে ভারত বায়োটেক। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)-এর সঙ্গে যৌথভাবে করোনা ভ্যাকসিন তৈরি করছে হায়দরাবাদের এই সংস্থা। দিন কয়েক আগে এক স্বেচ্ছাসেবী অসুস্থ হয়ে পড়ায় অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাকসিন কোভিশিল্ডের হিউম্যান ট্রায়াল বন্ধ হয়ে যায়। তারপরই করোনা মোকাবিলায় কার্যকরী ভ্যাকসিন তৈরি নিয়ে তুমুল উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এরমধ্যেই শনিবার নতুন করে আশা জাগিয়েছে কোভ্যাক্সিনের অ্যানিমেল ট্রায়াল।

কীভাবে হয়েছিল এই পরীক্ষা? টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থা জানিয়েছে, চারটি দলে ভাগ করে ২০টি রেসাস ম্যাকাস প্রজাতির বাঁদরকে অ্যানিম্যাল ট্রায়ালের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল। ১৪দিন করোনা আবহে রাখার পর বাঁদরগুলি শরীরে দ্বিতীয়বার টিকা প্রয়োগ করেন গবেষকরা। তাতেই আশাতীত ফল মিলেছে। দেখা গিয়েছে, বাঁদরগুলির শরীরে করোনা ঠেকানোর মতো অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই তিনটি দলের কোনও বাঁদর নিউমোনিয়াতে আক্রান্ত হয়নি। ভ্যাকসিন দেওয়ার সাতদিন পর থেকে নাক, গলা ও ফুসফুস থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

ইতিমধ্যেই মানুষের শরীরে কোভ্যাক্সিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালও শুরু হয়েছে। গত জুনে আইসিএমআর এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কার্যকরি টিকা তৈরির কথা জানিয়েছিল ভারত বায়োটেক। চলতি মাসেই সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন তাদের দ্বিতীয় দফার ট্রায়াল শুরুর ছাড়পত্র দিয়েছে।

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

#corona vaccine, #oxford university

আরো দেখুন