লুঠ, দাঙ্গা, মানুষ খুন, বিজেপির তিনটে গুণ: এগরায় মমতা

একুশের নির্বাচনে প্রচারের ঝড় তুলেছেন মমতা (Mamata Banerjee)। ভাঙা পায়ে কলকাতায় পদযাত্রা দিয়ে শুরু হয় তাঁর নির্বাচনী কর্মসূচি। এরপর ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় তাঁর জনসভায় দেখা যায় জনপ্লাবন। আজ মমতা পূর্ব মেদিনীপুরে। প্রথম পর্যায়ের নির্বাচনের প্রচারে হাতে গুনে এক সপ্তাহ বাকি। তার আগেই মানুষের দরবারে পৌঁছে যাচ্ছেন মমতা। বার্তা একটাই – ভাঙা পায়েই খেলা হবে।
আজ মমতার জনসভা পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা, পটাশপুর এবং তমলুকে।
লাইভ আপডেট
০১:০২: মায়েরা উলুধ্বনি, ছেলেরা দাও তালি, আগামীদিন বিজেপিকে বাংলা থেকে করব খালি। মনে রাখবেন, বাংলা জিতলেই, দিল্লি থেকে নরেন্দ্র মোদির পলায়ন। খেলতে হবে, জিততে হবে।
০১:০১: চাইনা বহিরাগত গুন্ডা, চাইনা দূর্যোধন, চাইনা মীরজাফর।
০১:০০: আমরা একমাত্র রাজ্য যারা এনপিআর করতে দিইনি।
১২:৫৯: বিনা যুদ্ধে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়ব না। একটি ভোটও বিজেপিকে নয়। সিপিএম, কংগ্রেস, বিজেপি তিন বন্ধু। কে এখানে প্রার্থী দেখার দরকার নেই, আমিই প্রার্থী, ওরা জিতলে আমি সরকার করতে পারব, আপনারা প্রকল্পগুলোর সুবিধা পাবেন।
১২:৫৮: মুখে পানবাহার চিবাতে চিবাতে এসে বলছে একে মারব, ওকে মারব, বাংলায় ওদের জায়গা নেই।
১২:৫৭: বিজেপি যদি আসে বাংলাকে কেউ বাঁচাতে পারবে না, ওদের থেকে বাংলাকে বাঁচাতে হবে।
১২:৫৬: লুঠ, দাঙ্গা, মানুষ খুন, বিজেপির তিনটে গুণ।
১২:৫৫: মনে রাখবেন যাঁরা গদ্দার, মিরজাফর তাঁরা আজকে বিজেপি-র প্রার্থী। বিজেপি-র পুরনো প্রার্থীরা আদি কর্মীরা ঘরে বসে কাঁদছে। আর কিছু সিপিএমের হার্মাদ, আর কিছু তৃণমূল থেকে চোর-চোরটা চিটিংবাজ কয়েকটা গিয়েছে, এখানে গিয়ে ছড়ি ঘোরাচ্ছে।বিজেপি-কে জিজ্ঞাসা করুন আপনাদের দলে মহিলারা সুরক্ষিত। কত মা-বোনেদের কত অভিযোগ আছে বিজেপি-র বিরুদ্ধে। ওরা দাঙ্গা করে, ওরা দুর্নীতি করে। ৫০০ টাকা চুরি করলে ওটা চোখে দেখা যায়। আর লক্ষ লক্ষ টাকা চুরি করলে সেটা চোখে দেখা যায় না। ওটা ভ্যানিশ হয়ে যায়।
১২:৫৪: শিক্ষকদের সংখ্যা দ্বিগুণ বাড়ানো হবে। চাকরি নিয়ে অনেকে আগে গদ্দারি করেছে। চিন্তা করবেন না, এবার কাজকর্ম সরাসরি হবে। কারও মাধ্যমে হবে না।
১২:৫৩: তাজপুরে বন্দর হচ্ছে, দীঘায় ল্যান্ডিং স্টেশন হচ্ছে।
১২:৫২: ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিবছর এক লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ হবে। অনুর্বর জমিগুলোকে উর্বর করে ১০০ দিনের কাজের মধ্য দিয়ে আরও উন্নয়ন হবে।
১২:৫০: ছাত্র-ছাত্রীরা ১০ হাজার টাকা পাবে ট্যাব বা স্মার্টফোন কেনার জন্য, উচ্চশিক্ষার জন্য ১০ লক্ষ টাকার ক্রেডিট কার্ড দেওয়া হবে। মা বাবাদের আগে চিন্তা করতে হত মেয়েদের বিয়ের জন্য। আখন আমরা মেয়েদের ১৮ বছর হলে কন্যাশ্রী করলেই ২৫ হাজার টাকা দিই আমরা। রূপশ্রীতেও ২৫ হাজার টাকা পায়। এ বার আমরা ছাত্রছাত্রীদের জন্য বছরে ১০ লক্ষ টাকার অ্যাকাউন্ট করে দেব। মাত্র ৪ শতাংশ সুদের হারে। বাবা-মাকে তাঁর পড়াশোনার খরচ চালাতে হবে না।
১২:৪৯: মহিলাদের ৫০০ টাকা করে মাসে হাত খরচা, তপশিলি জাতি ও উপজাতিদের ১০০০ টাকা মাসে, আমরা সরকারের এই এই নতুন প্রকল্প করব।
১২:৪৮: মৎস্যজীবীদের কার্ড আমি করে দিয়েছিলাম, এবার তারা ঘর পাচ্ছে। কৃষকরা ৬ হাজার টাকা পেত, সেটা ১০ হাজার টাকা করে দেব।
১২:৪৭: দুয়ারে সরকার বছর বছর হবে, আপনার বাড়িতে সরকার আসবে। অনেক কাজ আমরা করেছি, আগামীদিনে এবার রেশন আপনার দরজায় দরজায় পৌঁছে দেব, আমাদের সরকার এলে।
১২:৪৬: আমাকে অনেকে বলেছিল, তুমি নন্দীগ্রাম থেকে লড়ছ। অনেক দূর যেতে হবে। আমি বললাম বাংলাটাই আমরা নিজের ঘর। কোনটা দূরে কোনটা কাছে এটা ব্যাপার নয়, সারা বাংলাটাই আমাদের, সুতরাং কোনটাই দূর নয়, তাই কলকাতা থেকে নন্দীগ্রামে এসে দাঁড়িয়েছি।
১২:৪৬: সিঙ্গুরে থেকে আন্দোলন তৈরি করেছিলাম, নন্দীগ্রাম অব্দি পৌঁছেছিলাম।