দেশে ফের বাড়ল কোভিড সংক্রমণ, একদিনে আক্রান্ত প্রায় ২৪০০
তবে কি মহামারীর চতুর্থ ঢেউ আসন্ন? দেশে আচমকা বাড়তে থাকা করোনা সংক্রমণে সেই ইঙ্গিত ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে। বৃহস্পতিবারও ঊর্ধ্বমুখী দেশের কোভিড (COVID-19) গ্রাফ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা ভাইরাসে (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন ২৩৮০ অর্থাৎ প্রায় ২৪০০। বুধবার তা ছিল ২ হাজারের সামান্য বেশি। শতকরা হারে ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে দৈনিক সংক্রমণ। একদিনে করোনার বলি দেশের ৫৬ জন। আর সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১২৩১ জন, যা দৈনিক সংক্রমিতের তুলনায় কম।
দেশের করোনা পরিসংখ্যানের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যাচ্ছে, গত দু’-তিনদিন ধরেই সংক্রমণের হার বেশ ঊর্ধ্বমুখী। বুধবার তা ৬৫ শতাংশ বেড়েছিল সংক্রমণ। বৃহস্পতিবারও তা বেড়ে গেল। এই মুহূর্তে দেশে অ্যাকটিভ (Active cases) করোনা রোগীর সংখ্যা ১৩,৪৩৩। একদিনেই তা বেড়ে গিয়েছে হাজারেরও বেশি। যদিও মোট আক্রান্তের তুলনায় তা ০.০৩ শতাংশ।
দেশের উর্ধ্বমুখী সংক্রমণের মাঝে সবচেয়ে বেশি চিন্তা দিল্লির (Delhi) কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে। শুধু রাজধানীতেই দৈনিক আক্রান্ত গড়ে হাজারের বেশি। আর সেই কারণে সংক্রমণ রুখতে ফের মাস্ক (Mask) বাধ্যতামূলক হয়েছে রাজধানীতে। পথেঘাটে মাস্ক ছাড়া বেরলে ৫০০ টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশেও প্রায় একই পরিস্থিতি। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ স্বাস্থ্যমহলকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। লখনউ সংলগ্ন এলাকাতেই বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে মাস্কের ব্যবহার। গাজিয়াবাদ, হাপুর, বুলন্দশহর, বাঘপতে বাধ্যতামূলক হচ্ছে মাস্ক।
আসন্ন চতুর্থ ঢেউয়ের বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করতে দেশজুড়ে টিকাকরণ (Corona vaccination) চলছে জোরকদমে। ইতিমধ্যেই ১৮৭.০৭ কোটির বেশি ডোজ দেওয়া হয়েছে। কমবয়সিদের টিকা এবং প্রবীণদের বুস্টার ডোজ দেওয়া হচ্ছে বিনামূল্যে। আর ১৮ ঊর্ধ্বদের প্রিকশন ডোজ বাজারে ২৫০ টাকার বিনিময়ে মিলছে। এই ডোজ সরবরাহ করছে পুণের সেরাম ইনস্টিটিউট।