CAA আতঙ্কে মানুষকে আত্মহত্যা করতে হচ্ছে! কেন্দ্রের কড়া সমালোচনায় TMC
নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি: নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গেলেও এখনও রাজ্যের সব আসনে প্রার্থীর নামই ঘোষণা করতে পারেনি তাঁরা। এই নিয়ে শুক্রবার বিজেপিকে তীব্র কটাক্ষ করল তৃণমূল কংগ্রেস। পাশাপাশি সিএএ আতঙ্কে রাজ্যের এক যুবকের আত্মহত্যার ঘটনা তুলে ধরে মোদী সরকারের কড়া সমালোচনা করল জোড়া ফুল শিবির।
শুক্রবার তৃণমূল কংগ্রেস ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা ও তৃণমূলের অন্যতম মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী।
শশী পাঁজা বলেন, এ রাজ্যে একদিনে তিনবার ডিজি পরিবর্তন করেছে কমিশন। জেলাশাসকদেরও সরিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু এ রাজ্যে ইডি, সিবিআইয়ের মতো কেন্দ্রীয় এজেন্সির কোনও অফিসারকে তো সরানো হচ্ছে না! কেন এই পক্ষপাতিত্ব? এই কমিশনের কাছ থেকে এরপর আমরা কীভাবে নিরপেক্ষ নির্বাচন আশা করব? সিএএ-আতঙ্কে গতকালই আমরা এক সহ-নাগরিককে হারিয়েছি। দেশের ৪০ লক্ষ নাগরিক এই আতঙ্কে ভুগছেন।
কেন্দ্রের এই ‘কালা আইনকে’ নিশানা করে তিনি বলেন, অসমে ২০ লক্ষ নাগরিককে বাদ দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ১২ লক্ষ হিন্দু বাঙালি। ১৮৪ জন আত্মহত্যা করেছেন, এর দায় কে নেবে? অরূপ চক্রবর্তী বলেন, আমাদের সহ-নাগরিক দেবাশিস সেনগুপ্তর অকালমৃত্যু আমাদের রাজ্য তথা গোটা দেশকে নাড়া দিয়েছে। এর জন্য দায়ী কেন্দ্রের দানবিক আইন। যে আতঙ্ক কেড়ে নিল একটা তরতাজা প্রাণ। কে নেবে এর দায়? বাবার জন্মের কাগজ না থাকায় আতঙ্কে ভুগছিলেন তিনি।