দেশে জাল ওষুধে ছেয়ে গেছে, অধিকাংশই বিজেপি শাসিত রাজ্যে তৈরি হচ্ছে

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি: ডিসেম্বরে দেশজুড়ে মোট ১৩৫ রকমের নিম্নমানের ওষুধ ধরা পড়েছে। সরকারি ভাষায় যা ‘নট অব স্ট্যান্ডার্ড কোয়ালিটি।’ এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক ও পেইনকিলার। নভেম্বর মাসে ধরা পড়েছিল ১১১টি নিম্নমানের ওষুধ। তার আগে অক্টোবরে সংখ্যাটা ছিল ৯০। ফলে জাল তথা নিম্নমানের ওষুধ যে বাড়ছে, তা বলছে কেন্দ্রের দেওয়া তথ্যই। যদিও সরকারের কর্তাদের বক্তব্য, এই বিষয়ে রাজ্যগুলি আগের চেয়ে অনেক বেশি সক্রিয় হয়েছে। তার ফলে বেশি সংখ্যায় ধরা পড়ছে জাল ও নিম্নমানের ওষুধ।
সিডিএসসিও-র গবেষণাগারে গত ডিসেম্বরে যেসব নিম্মমানের ওষুধ ধরা পড়েছে,তার মধ্যে ১৯টি তৈরি হয়েছে উত্তরাখণ্ডে। গুজরাতে আটটি। হরিয়ানায় তিন। মুম্বইয়ে চার। কলকাতার তিনটি কোম্পানির ওষুধ নিম্নমানের বলে পাওয়া গিয়েছে।
দেশের বাজারে নিম্ন মানের ওষুধের সমস্যা নতুন নয়। সরকারের অভ্যন্তরীণ রিপোর্ট বলছে, ২০১৫-১৬ থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে ২ লক্ষ ২৩ হাজার ওষুধের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তার মধ্যে ৫৯৩টি ছিল ভেজাল। আর নিম্নমানের ৯ হাজার ২৬৬টি। একইসঙ্গে ন্যাশনাল সাম্পেল সার্ভে অব ড্রাগসে’র তথ্য বলছে, সরকারি ব্যবস্থায় যে ওষুধ কেনা হয়, তার ১০ শতাংশই নিন্মমানের। যার মধ্যে রয়েছে সুগার প্রেশারের পাশাপাশি ক্যান্সারের মতো রোগের ওষুধও। বিষয়টি যথেষ্ট উদ্বেগজনক।