কলকাতা বিভাগে ফিরে যান

আহিরিটোলা কাণ্ডে মুষড়ে পড়েছেন মৃতার প্রাক্তন স্বামী, কী বললেন তিনি?

February 26, 2025 | 2 min read

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি: আহিরিটোলা কাণ্ডে তোলপাড় তিলোত্তমা। বিষয়টা জানাজানি হতেই দুপুরেই আঁধার নামল পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাটে। কারণ, একটা সময় বিয়ে করে ওই গ্রামেই গিয়েছিলেন মৃত সুমিতা ঘোষ। সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরে পরবর্তীতে বিচ্ছেদ হলেও, প্রাক্তন স্ত্রীর এই পরিণতি হতে পারে ভাবতেও পারেননি সুদীপ্ত ঘোষ। খবর পেয়েই মুষড়ে পড়েছেন তিনি।

২০০৪ সালে এই সুদীপ্তই বিয়ে করেছিলেন সুমিতাকে। বউ হয়ে তাঁর সঙ্গে সংসার করতে এসেছিলেন সুমিতা। আজ, হঠাৎ সেই দিনগুলো ভীষণ মনে পড়ছে সুদীপ্তর।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, আইনত নিহত সুমিতা ঘোষ হলেন সুদীপ্তর প্রাক্তন স্ত্রী। আসলে বিয়ের পর প্রথম প্রথম সবকিছু ঠিকই ছিল। মধুর সম্পর্ক ছিল তরুণ দম্পতির মধ্যে। সুদীপ্ত কর্মসূত্রে বেশিরভাগ সময়টাই বাইরে থাকতেন। সুমিতাও খুব একটা শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন না। তারপরও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি ক্রমশ বাড়তে থাকে। শেষমেশ তা অসহনীয় হয়ে ওঠে। যার জেরে ২০১৭-১৮ সাল নাগাদ তাঁদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়।

সেই ঘটনার পর সুদীপ্ত আর সুমিতার জীবনের পথ চিরকালের মতো আলাদা হয়ে যায়। কেউ আর কারও খোঁজ রাখতেন না। কিন্তু, মঙ্গলবার সুমিতার ট্রলিবন্দি খণ্ডিত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় হতবাক হয়ে গিয়েছেন সুদীপ্ত। সত্যি বলতে কী, কিছুটা মুষড়েও পড়েছেন।

তিনি জানিয়েছেন, হলেও বা প্রাক্তন! কিন্তু, একটা সময় তো তাঁরা স্বামী-স্ত্রী ছিলেন। সেই মানুষটার এমন ভয়াবহ পরিণতি কি মেনে নেওয়া যায়? বস্তুত, কোনও মানুষকেই কি কোনও সুস্থ, স্বাভাবিক ও সভ্য মানুষ – এভাবে খুন করতে পারে? কার্যত সেই প্রশ্নই তুলেছেন সুদীপ্ত। জানিয়েছেন, সুমিতার যে এমন পরিণতি হতে পারে, তা তিনি কখনও কল্পনাও করতে পারেননি। তবে, সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে খুব বেশি কথা বলতে রাজি হননি সুদীপ্ত। তাঁর মন যে ভারাক্রান্ত, সেটা তাঁর অভিব্যাক্তি থেকেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, খুব শান্ত আর ধীর গলায় জবাব দিয়েছেন, তাঁদের ‘ডিভোর্স হয়েছিল, কিন্ত খারাপ তো লাগবেই!’

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

#Kolkata Police, #Murder Case, #Ahiritola case, #Sumita Ghosh, #Phalguni ghosh

আরো দেখুন