৮৪টি ব্যাচের ওষুধ পাশ করতে পারল না সরকারি পরীক্ষায়

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি: দেশের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেন্ট্রাল ড্রাগ স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (সিডিএসসিও) জানিয়েছে, ৮৪টিরও বেশি ব্যাচের ওষুধ ‘নট অব স্যান্ডার্ড কোয়ালিটি’ (এনএসকিউ) বা যথেষ্ট গুণমানের মাপকাঠি উতরোতে পারেনি। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে তৈরি করা ওই ওষুধগুলির মধ্যে অ্যাসিডিটি, কোলেস্টেরল, ডায়াবিটিস এবং ব্যাক্টেরিয়াল ইনফেকশনের ওষুধও রয়েছে।
ছোট-মাঝারি-বড় অসংখ্য ওষুধ কোম্পানির টেলমিসার্টান (প্রেশার), গ্লিমেপিরাইড (সুগার), অন্ডানসেট্রন (বমি), প্যান্টোপ্রাজল (গ্যাস), মেট্রোনিডাজল (পেট খারাপ), অ্যামক্সিসিলিন (অ্যান্টিবায়োটিক) সহ বিভিন্ন ধরনের ওষুধ রয়েছে কেন্দ্রের তালিকায়।
আইন মোতাবেক কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোল প্রতি মাসে বাজার নয়তো ফ্যাক্টরি থেকে বিভিন্ন ওষুধের নমুনা সংগ্রহ করে গুণমান যাচাইয়ের জন্য সরকারি পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠায়। সেই রিপোর্ট এলে তা তুলে দেওয়া হয় ওয়েবসাইটে। বেশকিছু নামী কোম্পানির নির্দিষ্ট ব্যাচের ওষুধও জানুয়ারি মাসের রিপোর্টে নিম্নমানের বলে জানানো হয়েছে। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর বিষয় হল যে ৯৩টি ওষুধের তালিকা তুলে দেওয়া হয়েছে সরকারি ওয়েবসাইটে, তাতে অন্তত ১৬টি ওষুধই হল রিংগার ল্যাকটেট (আরএল) স্যালাইন। এই সবক’টি স্যালাইন মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে সরবরাহ করা বিতর্কিত এক ওষুধ কোম্পানির।