ফেক প্রোফাইল বানিয়ে ধর্মীয় উস্কানি ছাড়াচ্ছে গেরুয়া পার্টি? বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূলের

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি: একুশ! চব্বিশ! বঙ্গে লাগাতার একের পর এক ভোটে হারছে বিজেপি। এবার ২৬-র বিধানসভা নির্বাচন জিততে মরিয়া বিজেপি। হার ঠেকাতে মরিয়া বিজেপি সমাজ মাধ্যমে ফেক প্রোফাইল বানিয়ে ধর্মীয় উস্কানি ছড়াচ্ছে, এমনই দাবি তৃণমূলের। বাংলাকে অশান্ত করতে ছক কষছে বিজেপি, এই মর্মে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের কাছে বার্তা পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। দলের নেতা-কর্মীদের বলা হয়েছে, সতর্ক থেকে ভুয়ো প্রোফাইলগুলিকে চিহ্নিত করতে হবে। ফেক ভিডিও, ছবি বা উস্কানিমূলক মন্তব্য চোখে পড়লেই তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের নজরে তা আনতে হবে। পুলিশ-প্রশাসনের দ্বারস্থ হতে হবে।
বিজেপির আইটি সেল খুবই সক্রিয়। বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা ভোটের আগে এদের সক্রিয়তা আরও বাড়ে। ব্যতিক্রম নয় বাংলাও। সবটাই চলে ভুয়ো তথ্যের উপর। ইতিমধ্যেই উত্তরপ্রদেশ, গুজরাতের ঘটনাকে বার বার বাংলার বলে দেখানো হয়েছে বলে বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে তৃণমূল। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ভুয়ো ভিডিওর আশ্রয় নিয়ে বাংলাকে বদনাম করার চেষ্টা করছে বিজেপি। সন্দেশখালি থেকে আরজি কর পর্বে ‘আমি সোমা বলছি’ নামে ভুয়ো বার্তা, সর্বত্র মিথ্যে জিনিসকে হাতিয়ার করার অভিযোগ করেন তৃণমূল।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ধর্মীয় বিভাজনই যে বিজেপির অন্যতম এজেন্ডা, তা জানতে পেরেছে তৃণমূল। ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে বিজেপির ফেক প্রোফাইল তৃণমূলের নজরে এসেছে। অভিযোগ, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের নামে ফেক প্রোফাইল বানিয়ে প্রোফাইলগুলি থেকে হিন্দু বিরোধী উস্কানিমূলক মন্তব্য পোস্ট করা হচ্ছে। এমন নানা ধরনের মন্তব্য করা পোস্টগুলো তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়া এবং আইটি টিমের নজরে এসেছে। তৃণমূলের অভিযোগ, ছাব্বিশ সালের বিধানসভা ভোটের আগে আরও বেশি টাকা খরচ করে বাংলার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার চালাবে গেরুয়া শিবির। তৃণমূলের আশঙ্কা, যত সময় যাবে; ভোট এগিয়ে আসবে, ধর্মীয় অশান্তির উস্কানি তত বাড়বে। বাংলাকে অশান্ত করার চেষ্টা হবে।