রাজ্য বিভাগে ফিরে যান

নেত্রীর ‘অসম্মান’-এর সময় মুখ বন্ধ! দেবাংশুর নিশানায় কারা?

April 1, 2025 | 2 min read

অক্সফোর্ডে কেলগ কলেজে ভাষণ দিতে গিয়ে নানা অপ্রীতিকর ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আরজি কর কাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন থেকে শুরু করে এসএফআই (ইউকে) সমর্থকদের গোব্যাক স্লোগান। এমনই পরিস্থিতি যে, মমতাকে তাঁর আহত হওয়ার একটি পুরনো ছবি তুলে ধরতে হয় বাম ছাত্রদের বিক্ষোভের মধ্যে। বিজেপি-ও নানা রকম কটাক্ষ করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই লন্ডন সফরকে। এহেন সময়ে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বের একাংশের তীব্র নিন্দায় সরব হলেন তৃণমূলের আইটি সেলের প্রধান দেবাংশু ভট্টাচার্য।

এই অভিযোগ জানিয়ে সোমবার সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন দেবাংশু। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘জনপ্রতিনিধি এবং পদাধিকারীদের কাছে অনুরোধ, দয়া করে নেত্রীর অসম্মানের সময় অন্তত মুখ খুলুন। এই নেত্রী এবং দলের অনুমোদনই আপনি, আমি আজ কেউ নির্বাচিত সদস্য, কেউ বা বড় পদের অধিকারী। এই নেত্রীর জন্যেই আজ আমাকে, আপনাকে লোক চিনেছে, জিতিয়েছে।’

দলের একাংশের ভূমিকায় প্রশ্ন তুলে দেবাংশুর প্রশ্ন, ‘দল আপনাকে কঠিন সময়ে দেখেছে, এগিয়ে দিয়েছে। আপনারা কেন যুদ্ধের সময় চুপ থাকেন? আপনারা কেন লড়াইয়ের সময় পড়ে পড়ে ঘুমোন? অসময়ে কোথায় হারিয়ে যান? এলাকায় একটা মিছিল বার করেন না কেন? সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা পোষ্ট করেন না কেন? অনুষ্ঠানের সময় তো মঞ্চে ইয়া বড় বড় ফুলের বুকে আর লম্বা লম্বা উত্তরীয় গলায় ঝোলাতে দুবার ভাবেন না! পদের দাবি জানানোর সময় তো গলার জোরে গগন ভেদ করার জোগাড় হয়.. কিন্তু যুদ্ধের সময়? মৌনব্রত? সব ইস্যুতে দল কিংবা মন্ত্রীরা বলে দেবে, তারপর নামতে হবে? প্রতিবার উপর থেকে আসা কর্মসূচির অপেক্ষা করতে হবে? নেত্রীকে অসম্মান করলে গায়ে জ্বালা ধরে না? তখনও নির্দেশ আসার অপেক্ষা করতে হয়? নিজে থেকে একটা মিছিল কিংবা একটা পথসভা করলে কি দল আপনাকে তাড়িয়ে দেবে? পার্টি অফিস গুলোতে যে শতশত চামচাদের নিয়ে বসে থাকেন, যাদেরকে দিয়ে শুধুমাত্র নিজের সঙ্গে সেলফি কিংবা আপনার ড্রেন উদ্বোধনের ছবি পোষ্ট করান, এসব ইস্যুতে তাদের দিয়ে একটা করে ফেসবুক, টুইটারে পোষ্ট তো করাতে পারেন অন্তত! পারেন না?’

দেবাংশু আরও লেখেন, ‘আমরাও তো গা বাঁচিয়ে চলতে পারি! কই, পালিয়ে যাই না তো! আপনারা পালান কেন?’ শেষে দেবাংশুর অনুরোধ,’আপনাদের কাছে অনুরোধ, ঢাল, তরোয়াল না ধরুন, এবার থেকে অন্তত একটু মুখ খোলা প্র্যাকটিস করুন। রাস্তায়, মাঠে, মিডিয়ায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় যেখানেই হোক… প্লিজ। তারপর না হয় আপনারাই আবার কাউন্সিলর, কর্মাধ্যক্ষ, সভাপতি, বিধায়ক, সাংসদ হবেন..

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

#Debangshu Bhattacharya, #tmc workers, #Mamata Banerjee, #tmc

আরো দেখুন