SIR in Bengal: নথি না-থাকলেও বাদ নয় যৌনকর্মী, আদিবাসী, আশ্রমিকদের নাম! নির্দেশ কমিশনের
নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি, ১০:০০: যৌনকর্মী, বিশেষ আদিবাসী গোষ্ঠী, আশ্রমের বাসিন্দা এমন প্রান্তিক মানুষদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। এমন প্রান্তিক ভোটাররা নথি জমা না-দিলে তাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যাবে না। বৃহস্পতিবার এই মর্মে সমস্ত জেলাশাসকের কাছে নির্দেশে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। অন্যদিকে, শুনানিতে প্রাপ্ত নথি যাচাইয়ের পর এবার তা আপলোডের কাজ আরম্ভ হচ্ছে। কমিশন আগেই জানিয়েছিল, ‘আনম্যাপড’ ভোটারের থেকে প্রাপ্ত নথি যাচাই করতে হবে জেলাশাসক বা ডিইওদের। সেই তথ্য আপলোডও করতে হবে। এবার শুরু হচ্ছে কাজটি।
কমিশন সূত্রের খবর, শুধুমাত্র নথির অভাবে প্রান্তিক মানুষদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই সব মানুষদের কাগজ না-থাকলেও, সরাসরি ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যাবে না। কমিশন জানিয়েছে, যদি কোনও যোগ্য ব্যক্তি বৈধ বা বাস্তব কারণে প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে না পারেন, তবে তাঁর নাম সঙ্গে সঙ্গে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যাবে না।
ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন যৌনকর্মীরা। যা নিয়ে কমিশনে একাধিক অভিযোগও জমা পড়েছিল। সোনাগাছিতে বিশেষ ক্যাম্পও করেছিল কমিশন। পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ার মতো আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় আদিবাসীদের একাংশের মধ্যে ইনিউমারেশন ফর্ম পূরণ করায় অনীহা দেখা গিয়েছিল। নথি জমা না-পড়ার কারণে এমন মানুষদের নাম যাতে তালিকা থেকে বাদ না পড়ে, তাই বিশেষ ব্যবস্থা নিল কমিশন।
জেলাশাসকদের কাছে পাঠানো নির্দেশে কমিশন সাফ জানিয়েছে, ২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে যোগসূত্র না-মিললে এবং কোনও নথি জমা না-দিতে পারলেও যৌনকর্মী, আদিবাসী, আশ্রমের বাসিন্দা এবং ওই ধরনের প্রান্তিক ভোটারদের নাম রাখতে হবে। সংশ্লিষ্ট যৌনপল্লি, আদিবাসী মহল্লা এবং আশ্রমে গিয়ে পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে হবে। প্রয়োজনে গণশুনানি করে নথির খামতি সংক্রান্ত তথ্য জোগাড় করতে হবে। স্থানীয় বুথ লেভেল এজেন্ট মারফত নিশ্চিত হতে হবে ভোটারের পরিচিতি সম্পর্কে। তারপর সমস্ত তথ্য এইআরও এবং ইআরও’র কাছে পাঠাতে হবে।