রাজ্য বিভাগে ফিরে যান

‘বাংলা বুলডোজারে নয়, ঐক্যে বিশ্বাস রাখে’ জাহাঙ্গিরপুরী ঘটনায় বিজেপিকে তোপ মমতার

April 22, 2022 | < 1 min read

ছবি সৌঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফেসবুক পেজ

জোর-জবরদস্তি করে কারও জমি নেওয়া হবে না বা কাউকে উচ্ছেদ করা হবে না। রাজ্যে ক্ষমতা দখলের পরই একথা স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই নীতিতেই অটুট তাঁর সরকার। বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের মঞ্চ থেকে ফের তা সদর্পে ঘোষণা করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। বললেন, ‘আমরা বুলডোজ করার পক্ষপাতী নই।’ অর্থাৎ, দিল্লিতে বিজেপিশাসিত পুরসভা যে কাজ করেছে, বাংলার মাটিতে তা যে হবে না, সেব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন তিনি। মমতার নির্দেশে আজ, শুক্রবার দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরীতে যাচ্ছেন কাকলি ঘোষদস্তিদার, শতাব্দী রায়, অর্পিতা ঘোষ, অপরূপা পোদ্দার, সাজদা আহমেদরা। দুপুরে কার্যালয়ে জড়ো হবেন তাঁরা। সেখান থেকে একত্রিত হয়ে পৌঁছবেন ঘটনাস্থলে। সরেজমিনে খতিয়ে দেখবেন সেখানকার পরিস্থিতি।

এর আগে অসম, হাতরাস, লখিমপুর খেরি, সিংঘু বর্ডারে প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছিলেন মমতা। যেখানেই বিজেপি মানুষের স্বার্থবিরোধী কাজ করেছে, সেখানেই মমতার বার্তা পৌঁছেছে। এবার ‘বুলডোজ’ করার নামে ভাগাভাগি কিংবা বিভেদের রাজনীতির বিরুদ্ধেও গর্জে উঠেছে মমতার কণ্ঠস্বর। তিনি বলেছেন, ‘আমরা মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরি করি না। আমরা মানুষকে একত্রিত করি।’ উদাহারণ হিসেবে মমতা তুলে ধরেছেন বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের মঞ্চকে। তিনি বলেন, ‘একটি সংসারে সকলের মধ্যে একতা থাকলে তবেই শ্রীবৃদ্ধি হয়। এবারের বাণিজ্য সম্মেলন ভীষণভাবে সফল। কারণ সকলে একসঙ্গে কাজ করেছে।’

প্রসঙ্গত, হনুমান জয়ন্তীকে কেন্দ্র করে হিংসার ঘটনা ঘটে জাহাঙ্গিরপুরীতে। এরপর একাধিক দোকান ও বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেয় বিজেপি পরিচালিত উত্তর দিল্লি পুরসভা। এমনকী সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশের পরও অভিযান থামেনি। সেই প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের থেকেও বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে স্থানীয় বিজেপি সভাপতির নির্দেশ।’

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

#Mamata Banerjee, #bjp, #Jahangirpuri violence

আরো দেখুন