দেশ বিভাগে ফিরে যান

টুইটার ফাইলসের ‘জুজু’ দেখিয়ে সমাজ মাধ্যমকে বাগে আনবে মোদী সরকার?

December 11, 2022 | 2 min read

আমজনতার দীর্ঘদিনের অভিযোগ মোদী আমলে দেশের বাক স্বাধীনতা বিপন্ন, সবচেয়ে বেশি আক্রমণ আনা হচ্ছে সমাজ মাধ্যমের উপর। সাম্প্রতিক একাধিক ঘটনা তারই প্রমাণ দিচ্ছে। সমাজ মাধ্যমে মন্তব্য করা এখন দায়, মহম্মদ জুবের থেকে সাকেত গোখলে, বারবার নেমে এসেছে আক্রমণ। সমাজ মাধ্যমের উপর বহু দিন ধরেই নিয়ন্ত্রণ কায়েম করতে চাইছে মোদী সরকার।

কার্যত সেই সুযোগ নিয়ে এল টুইটার ফাইলস কাণ্ড। মোদী সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী রাজীব চন্দ্রশেখর বলছেন, বাক স্বাধীনতার নামে ভুয়ো, মিথ্যে তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া মানা যায় না। শুক্রবার তিনি বলেন, টুইটার ফাইলস থেকে প্রমাণিত হয়েছে মতামত নিয়ন্ত্রণ করা হত। অর্থাৎ ফাইলস কাণ্ডের জেরে হাতে চাঁদ পেয়ে গেল মোদী সরকার।

টুইটার ফাইলস জিনিসটি ঠিক কী?

কোনও টুইটার ব্যবহারকারীর অজান্তেই তার টুইটার হ্যান্ডেলটিকে কালো তালিকাভুক্ত করত টুইটার। এর জেরে তার মতামতের রিচ কমে যেত। মতামতের গুরুত্ব, ফলোয়ার, ট্রেন্ডিংয়ের মতো বিষয়ের উপর রিচ নির্ভর করে। কেবল রিচ কমিয়ে দেওয়াই নয়, মন্তব্য পছন্দ না হলে ট্রেন্ডিং থেকে তা সরিয়েও দেওয়া হত। অ্যাকাউন্ট অন্যদের থেকে অদৃশ্য করে দেওয়াও হত, বলে জানা গিয়েছে।
এলন মাস্ককে টুইটারের মালিক হওয়ার পরেই এ জিনিস প্রকাশ্যে এসেছে। তথ্য ফাঁস করেছেন ব্যারি ওয়াইস। মাস্ক নিজেও টুইট করেছেন। আর তাতেই টুইটারের পুরনো কীর্তি সামনে এসেছে। সংবাদমাধ্যম এই ঘটনাকে ‘টুইটার ফাইলস’ নামে চিহ্নিত হয়েছে।

ফেসবুক এবং টুইটার সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ থাকলে, তা নিষ্পত্তির জন্য গত অক্টোবরে নির্দেশিকা জারি করেছে মোদী সরকার। তিন সদস্যের গ্রিভান্স অ্যাপিলেট কমিটি গঠন করা হবে বলেও জানানো হয় নির্দেশিকায়। এমতাবস্থায় টুইটার ফাইলস সরকারের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছে। রাজীব চন্দ্রশেখর বলছেন, এবার গ্রিভান্স অ্যাপিলেট কমিটি গঠনের কাজ আরও দ্রুত করবে সরকার। এই নিয়ে খুব শীঘ্র বিজ্ঞপ্তি জারি হতে চলেছে বলেও জানান মোদী সরকারের মন্ত্রী।

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

#Narendra Modi, #twitter

আরো দেখুন