ইছামতির সংস্কারের জন্য তোড়জোড় শুরু হল, সমীক্ষা রিপোর্ট জমা পড়বে নবান্নে

নিউজ ডেস্ক, দৃষ্টিভঙ্গি: বনগাঁ ও বসিরহাটের জল নিকাশির অন্যতম মাধ্যম হল ইছামতী। বর্ষায় ইছামতীর জল উপচে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়। ভয়ঙ্কর অবস্থা হয় স্বরূপনগরেও। ঘরবাড়ি ছেড়ে সরকারের ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নেয় মানুষ। জমা জলে খেতের ফসল নষ্ট হয়। এই সমস্যার দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের জন্য এবার ১৫ কিলোমিটার নদীপথ সংস্কার করবে জেলা প্রশাসন। এর ছাড়পত্র মিলে গিয়েছে। নতুন করে ৩২ কিলোমিটার সংস্কারের জন্য তোড়জোড় শুরু হল।
৩২ কিলোমিটার সংস্কারের জন্য তথ্য সংগ্রহের কাজ করল সেচদপ্তর। মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী, সেচদপ্তরের বসিরহাট ডিভিশনের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার কিংশুক মণ্ডলরা স্পিড বোডে এলাকা ঘোরেন। তেঁতুলিয়া থেকে সংগ্রামপুর পর্যন্ত নদীপথ ঘুরে রিপোর্ট সংগ্রহ করা হয়। নতুন করে ইছামতী সংস্কারের জন্য এই সমীক্ষা রিপোর্ট জমা পড়বে নবান্নে। তারপর রাজ্য সরকারের নির্দেশ মতো সংস্কার হবে নদী।
সমীক্ষায় জলের নীচে একাধিক ঢিপি ও পলিস্তূপের হদিশ মিলেছে। ওই ঢিপি ও পলি সরানোকেই মূল লক্ষ্য করেছে সেচদপ্তর। এনিয়ে সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী বলেন, এই ৩২ কিলোমিটার রাস্তা স্পিড বোটে যেতে সময় লাগল তিন ঘণ্টারও বেশি। কারণ, পলিতে নদীপথ ভরে গিয়েছে। মাঝে মাঝে ঢিপিও হয়েছে। এই সমীক্ষা রিপোর্ট জমা পরবে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে।