কলকাতা বিভাগে ফিরে যান

বারুইপুর-সোনারপুরে জমা জল সরাতে তৎপর প্রশাসন

September 23, 2021 | 2 min read

দু’দিন কেটে গেলেও জমা জল না নামায় দুর্ভোগ অব্যাহত বারুইপুর ও সোনারপুর-রাজপুর পুর এলাকায়। এর মধ্যেও রয়েছে বৃষ্টির ভ্রুকুটি। ফলে আতঙ্ক অব্যাহত। যদিও পুরপ্রশাসনের তরফে জল নামাতে শুরু হয়েছে জোরদার তৎপরতা। সোনারপুর-রাজপুর ও বারুইপুর পুর প্রশাসন থেকে একাধিক জায়গায় পাম্প বসানো হয়েছে। বারুইপুর পুর প্রশাসক শক্তি রায়চৌধুরী বলেন, বৃষ্টির জেরেই জল নামানোর কাজ বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। সারাদিন ধরে প্রায় ৭-৮টি পাম্প চালানো হয়েছে আদিগঙ্গার কাছে। পাশাপাশি, সোনারপুর-রাজপুর পুরপ্রশাসক ডঃ পল্লব দাস বলেন, পুর এলাকায় প্রায় ৫০টির বেশি পাম্প চালানো হচ্ছে। খালে জল বেশি হয়ে যাওয়ায় একটা সমস্যা থেকেই গিয়েছে। 

এদিকে, বুধবার বাসন্তীর বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল ও বারুইপুর পূর্বের বিধায়ক বিভাস সর্দার জমা জলের সমস্যার সমাধানে বারুইপুরের উত্তরভাগ পাম্পিং স্টেশন পরিদর্শনে যান। সেখানে তাঁরা সেচদপ্তরের ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে কথা বলেন। ক’টি পাম্প চালানো হচ্ছে, তার বিস্তারিত খোঁজ নেন। প্রসঙ্গত, এই উত্তরভাগ পাম্পিং স্টেশন দিয়ে সোনারপুর-রাজপুর পুরসভা এলাকা, বেশ কয়েকটি পঞ্চায়েত এলাকার জল বের হয়। এমনকী, বারুইপুর পূর্বের কয়েকটি পঞ্চায়েত এলাকার জলও এই উত্তরভাগ দিয়েই বের হয়ে পিয়ালি নদীতে গিয়ে পড়ে। বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল বলেন, ১৬টি পাম্প উত্তরভাগে চলছে। যাতে এই কাজ দ্রুত হয়, তাই দেখতে আসা। মানুষজন জমা জলে দুর্ভোগে আছেন। অন্যদিকে, সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়ক লাভলী মৈত্র দুর্গতদের পাশে গিয়ে দাঁড়ান। এদিন বেশ কয়েকটি ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন তিনি। ত্রাণশিবিরেও মানুষের কাছেও গিয়ে সমস্যা শোনেন। ঘাসিয়াড়া স্কুলে ডিমের ঝোল রান্নার পাশাপাশি দুর্গতদের ত্রিপল তুলে দেন বিধায়ক।      
জমা জল না সরায় চরম অস্বস্তিকর পরিবেশের মধ্যে রয়েছেন বাসিন্দারা। অভিযোগ, জমা জল থেকে দুর্গন্ধ বেরচ্ছে। সাপের উৎপাত বেড়েছে। বাসিন্দারা বলেন, দ্রুততার সঙ্গে এই জল সরাতে হবে প্রশাসনকে। নচেৎ জলবাহিত রোগ বাড়বে এলাকায়। 

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

#sonarpur, #Baruipur, #rainfall

আরো দেখুন