রাজ্য বিভাগে ফিরে যান

রাজ্য সভাপতি সুকান্তর বৈঠক ‘ফালতু’? প্রকাশ্যে ক্ষোভপ্রকাশ বিজেপি নেত্রী রুপার

December 1, 2021 | 2 min read

আজ, বুধবার কলকাতা পুরসভা নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেসের সিংহভাগ প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিলেও অনেকটাই পিছিয়ে গেরুয়া শিবির। সোমবার বিকেলে বিজেপির (BJP) প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়। মঙ্গলবার রাত অবধি গেরুয়া শিবিরের মাত্র ২২ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিতে পেরেছেন। একদিনে কীভাবে বাকি ১২২ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেবে, তা নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক ডেকেছিল বিজেপি (BJP)। সেই বৈঠকে বিজেপি সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে তুমুল বচসা দলের সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী ও রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের।

সূত্রের খবর, গন্ডগোল এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে অনলাইন বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান রূপা। তার আগে তিনি রাজ্য সভাপতির ভূমিকায় ক্ষোভপ্রকাশ করে বলেন, ‘এ সব ফালতু’ বৈঠকে কেন ডাকা হয়?’ এর পরই বৈঠক থেকে বেরিয়ে যান রূপা। এ দিনের বৈঠকে সুকান্ত, অমিতাভ ছাড়াও দিলীপ ঘোষ, দীনেশ ত্রিবেদী এবং কলকাতার দুই জেলা সভাপতি উপস্থিত ছিলেন। ১২২ প্রার্থী মনোনয়ন ছাড়াও বৈঠকের আলোচ্য বিষয়বস্তুর মধ্যে ছিল, পুরভোটের রণনীতি এবং ভোটের দিন কীভাবে দুর্গ সামলানোর পাশাপাশি তৃণমূলের মোকাবিলা করা হবে, তা ঠিক করা।

এর আগে বিজেপির প্রার্থী তালিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে শীর্ষ নেতৃত্বের কোপের মুখে পড়েন চন্দ্রশেখর বাসোটিয়া। শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় তাঁকে সাসপেন্ড করেছে বিজেপি। রূপার ক্ষেত্রে সে রকম কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না, সেটাই এখন দেখার। গেরুয়া শিবিরের একাংশের অভিযোগ, দলের শীর্ষ নেতৃত্বে বিরুদ্ধে সৌমিত্র খাঁ সহ অনেক বড় নাম মুখ খুলেছেন। কিন্তু কখনই তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি দল। অথচ সাধারণ নেতা-কর্মীরা সামান্য প্রতিবাদ জানালেই তাঁদের উপর নেমে এসেছে শাস্তির খাঁড়া। রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের শাস্তি মুখে পড়েন কি না, সেটাই এখন আলোচনার বিষয়।

TwitterFacebookWhatsAppEmailShare

#bjp, #Roopa Ganguly, #Dr Sukanta Majumder

আরো দেখুন